মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে শিশুদের স্মরণে হার্ডকো স্কুলে শ্রদ্ধা ও প্রার্থনা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
গ্লোবাল সামুদ ফ্লোটিলা গাজায় রওনা, ৫০টির বেশি জাহাজে মানবিক সহায়তা জাপানের শিনকোইয়া মসজিদে প্রতি রবিবার এশার পর সাপ্তাহিক ইসলামিক আলোচনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা জারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সহিংসতা, ৫০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি মনোনয়ন বিতরণের শেষদিনে রাকসু কার্যালয়ে ভাঙচুর করল রাবি ছাত্রদল পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড ১২ কোটি ৯ লাখ টাকা তাসকিন–লিটনের ঝড়ে ডাচদের সহজে হারাল বাংলাদেশ, সিরিজে ১–০ নেতৃত্ব সাবেক ভিপি নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ কেরালায় ক্যানারা ব্যাংকে গরুর মাংস নিষিদ্ধ, কর্মীদের ‘বিফ-ফেস্ট’ প্রতিবাদ ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম: জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধসহ তিন দফা দাবিতে গণঅধিকার পরিষদের হুঁশিয়ারি

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে শিশুদের স্মরণে হার্ডকো স্কুলে শ্রদ্ধা ও প্রার্থনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫
  • ৪৪ বার দেখা হয়েছে

ঢাকার আকাশে দুঃখের মেঘ জমেছিল ২১ জুলাই ২০২৫। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষণ চলাকালীন একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ কেড়ে নেয় অন্তত ৩১টি শিশুর, আর আহত করে বহু মানুষকে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনার পর রাজধানীর হার্ডকো ইন্টারন্যাশনাল স্কুল  আয়োজিত করে এক বিশেষ সমাবেশ, যেখানে শ্রদ্ধা জানানো হয় নিহতদের প্রতি।

বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা একসাথে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করে সবাইকে বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায়। হার্ডকোর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, “আমরা মাইলস্টোন স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ সকল শোকাহত পরিবারের পাশে আছি। এই অপূরণীয় ক্ষতিকে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।”

স্মরণসভায় শিক্ষার্থীরা কান্নায় ভেঙে পড়ে। অনেকে বলছিল, “ওরা আমাদের মতোই ছিল—খেলত, পড়ত, স্বপ্ন দেখত। আজ তারা নেই, এটা ভাবতেই গা শিউরে ওঠে।”

২১ জুলাই দুপুর ১টার দিকে বিমানবাহিনীর একটি F‑7 BGI যুদ্ধবিমান রুটিন প্রশিক্ষণ ফ্লাইটে উড্ডয়ন করে।  পরে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইলস্টোন স্কুলের ভবনে ধাক্কা খায়। মুহূর্তেই আগুন ধরে যায় পুরো ভবনে। পাইলট প্রাণ হারান, নিহত হন অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক। আহতরা এখনো ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।
May be an image of one or more people and text

ঘটনার ভয়াবহতায় দেশজুড়ে শোক ছড়িয়ে পড়ে। রাষ্ট্রীয়ভাবে ২২ জুলাই ঘোষণা করা হয় জাতীয় শোক দিবস। বিভিন্ন স্কুলে ক্লাস স্থগিত করে আয়োজন করা হয় শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের। প্রতিবেশী দেশ ভারত ও চীন জরুরি চিকিৎসা সহায়তা পাঠিয়েছে, আর সরকারের পক্ষ থেকে বার্ন ইউনিট ও চিকিৎসাসেবায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT