কুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর রামদা নিয়ে হামলা করা বহিষ্কৃত বিএনপি-যুবদলের সেই নেতা মাহাবুব খুন হয়েছে। দিবালোকে এভাবে খুন কোনোভাবেই কাম্য নয়। এদিকে খুনিদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত নয়। কিন্তু স্থানীয় জনগন ও পুলিশ এ ঘটনার কারণ হিসেবে মাদকের কারবার ও চাঁদাবাজির ভাগবাটোয়ায় বিএনপির আরেকটি গ্রুপের সাথে দ্বন্দ্বের বিষয়টিই বারবার তুলে ধরছে।
এলাকাবাসী জানান, ৫ আগস্টের পর এলাকায় বেপরোয়া হয়ে ওঠেন মাহাবুব। মাদক বিক্রি নিয়ে এলাকার আরেকটি গ্রুপের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। এর জেরে আগেও কয়েকবার মাহাবুবের ওপর হামলা হয়।
দৌলতপুর থানার ওসি মীর আতাহার আলী জানান, মাদক বিক্রি নিয়ে প্রতিপক্ষ গ্রুপের সঙ্গে মাহাবুবের দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জেরে হামলা কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে চারটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।
এদিকে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রকৃত ঘটনা/ফ্যাক্ট এড়িয়ে গিয়ে দায় চাপিয়ে দেবার রাজনীতি শুরু করেছে। এক্ষেত্রে তারা কুয়েটের শিক্ষার্থীদের বলির পাঁঠা বানাতে উঠে পড়ে লেগেছে। তার উপর পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী খুনে তারা এমনিতেই ব্যাকফুটে আছে। সেটাকেও আড়াল করতে খুলনার বহিষ্কৃতনেতা মাহবুবের খুনের ঘটনাই প্রকৃত খুনিদের বিচার দাবি না করে উল্টো ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে, রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের ষড়যন্ত্র করছে।