নোটিশ:
শিরোনামঃ
যবিপ্রবির গবেষকের ন্যানো ইউরিয়া প্রযুক্তির পেটেন্ট অনুমোদন: মাঠপর্যায়ের ফল যাচাইয়ের তাগিদ ঢাকায় দুই দিনের সৌরবিদ্যুৎ প্রদর্শনী শুরু বাংলাদেশে হাইব্রিড গাড়ি সংযোজন কারখানা স্থাপনের সম্ভাবনা দেখছে টয়োটা জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল: প্রতিশ্রুতির সঙ্গে চাই বাস্তবায়নের স্বচ্ছ হিসাব ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় রাশিয়ার ব্যাপক হামলা, বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট জলবায়ু অর্থায়ন ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের ভূমিকা চায় বাংলাদেশ বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ–আমিরাত সিইপিএ দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব লন্ডনে ১৯তম বিসিএ অ্যাওয়ার্ডসে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি রন্ধনশিল্পকে সম্মাননা ই-রিকশার নতুন বিধি: নিরাপত্তার সঙ্গে চালকের জীবিকার নিশ্চয়তা চাই চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নীতিসুদ কাঠামো, রাতারাতি রেপোতে ১.২৫ শতাংশ

ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউ যেন সোনার হরিণ, তৃতীয় পক্ষ ছাড়া মেলে না আসন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫
  • ২১০ বার দেখা হয়েছে
4_20250703_002529_0003

রোগীর বাঁচা-মরার শেষ আশ্রয়স্থল বলে বিবেচিত হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ)। তবে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) আইসিইউ ঘিরে তৈরি হয়েছে গোপন দৌড়ঝাঁপের সংস্কৃতি, যেখানে প্রভাব, সুপারিশ আর ‘তৃতীয় পক্ষের’ মধ্যস্থতা ছাড়া সাধারণ রোগীর স্বজনদের জন্য বেড পাওয়া হয়ে উঠেছে দুঃসাধ্য।

বর্তমানে ঢামেকে মোট ৯৪টি আইসিইউ বেড রয়েছে। এর মধ্যে ইমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ে ৪১টি, বার্ন ইউনিটে ২০টি ও নতুন ভবনে রয়েছে আরও ২১টি। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত ওএসইসি (One Stop Emergency and Casualty) ইউনিটে রয়েছে ১২টি বেড। সবগুলো বেডই বর্তমানে সচল ও ব্যবহৃত হচ্ছে।

আইসিইউ সেবা নিয়ে একাধিক রোগীর স্বজন অভিযোগ করেন, গুরুতর অবস্থাতেও সরাসরি বেড পাওয়া যায় না। অনেক জায়গায় চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে শেষমেশ ‘ভিতরের লোক’ বা তৃতীয় পক্ষের শরণাপন্ন হতে হয়। এসব ব্যক্তিরা হাসপাতালের ভেতরের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে বেড ম্যানেজ করে দেন। অর্থ বা প্রভাব থাকলে সহজেই ব্যবস্থা হয়, কিন্তু গরিব ও সাধারণ রোগীদের জন্য অপেক্ষা আর হতাশা ছাড়া কিছু থাকে না।

এক স্বজন বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। টাকা ছাড়া কোথাও কাজ হয় না। শেষে বাধ্য হয়ে দালালের মতো লোকদের খুঁজতে হয়।” অনেকে জানিয়েছেন, ‘ওপর মহল’ থেকে চাপ এলে বেড বরাদ্দও সহজ হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পুরাতন ভবনের ৪র্থ তলায় অবস্থিত ইউনিটে রয়েছে ৩১টি সাধারণ আইসিইউ বেড এবং সার্জারির রোগীদের জন্য সংরক্ষিত ১০টি এইচডিও (High Dependency Unit) বেড। কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা না থাকলেও বর্তমানে সব বেড সচল রয়েছে।

শুধু প্রাপ্তবয়স্ক নয়, সদ্যোজাত ও শিশুদের জন্য রয়েছে পৃথক NICU (Neonatal Intensive Care Unit) ও PICU (Pediatric Intensive Care Unit), যা শিশুদের জীবনরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আইসিইউ ভর্তির বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত গ্রহণে রোগীর বয়সকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হিসেবে দেখেন। অল্প বয়সীদের বাঁচার সম্ভাবনা বেশি হওয়ায় তাদের অগ্রাধিকার বেশি দেওয়া হয়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রোগীর শারীরিক অবস্থা, রোগের প্রকৃতি ও চিকিৎসা সফলতার সম্ভাবনার ভিত্তিতে নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি হাসপাতালটিতে রয়েছে নবজাতকদের জন্য আলাদা NICU (Neonatal Intensive Care Unit) এবং শিশুদের জন্য PICU (Pediatric Intensive Care Unit), যা শিশুদের জীবনরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT