বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার: মহাকাশের দূরবর্তী অঞ্চলে বৃহত্তম রেডিও জেট - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
সড়ক সংস্কারের দাবিতে ইবি শিক্ষার্থীদের কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ ভোলা বরিশাল সেতুর দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা আদর্শিক নেতৃত্বই জাতিকে এগিয়ে নেয়—আফগানিস্তানের উন্নয়ন তার প্রমাণ: মামুনুল হক নোয়াখালীতে তাহাজ্জুদের সময় ১২ বছরের মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু শেষ হলো কুবির পঞ্চম ছায়া জাতিসংঘ সম্মেলন ভারত অনুমতি না দেওয়ায় বুড়িমারীতে ভুটানের ট্রানজিট পণ্য আটকে অরুণাচলে মসজিদে ঢুকে ইমামকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলাতে চাপ গেজেট বঞ্চনার প্রতিবাদে ইবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘The Voice of JKKNIU’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার: মহাকাশের দূরবর্তী অঞ্চলে বৃহত্তম রেডিও জেট

অনলাইন ডেস্ক।
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৯০ বার দেখা হয়েছে
মহাকাশের বৃহত্তম রেডিও জেট,বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার, রেডিও জেট, মহাকাশ গবেষণা, মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি, তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ, মহাবিশ্ব, আলোকবর্ষ, মহাজাগতিক কাঠামো, রেডিও টেলিস্কোপ, অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্স, অ্যানিক গ্লোডেম্যান্স, বিগ ব্যাং, মহাবিশ্বের সৃষ্টি, প্রাচীন গ্যালাক্সি, মহাকাশ বিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, এনডিটিভি

বিজ্ঞানীরা মহাকাশের দূরবর্তী অঞ্চলে এক বিশাল রেডিও জেটের সন্ধান পেয়েছেন, যা আকারে আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির দ্বিগুণ। এটি মহাবিশ্ব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করতে পারে বলে গবেষকরা মনে করছেন।

রেডিও জেট হলো মহাকাশীয় বস্তু থেকে নির্গত উচ্চগতির কণা ও তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণের প্রবাহ, যা দূর থেকে শনাক্ত করা সম্ভব। গবেষকদের মতে, এই রেডিও জেট অন্তত ২ লাখ আলোকবর্ষ জুড়ে বিস্তৃত, যা এক বিরল ও প্রাচীন মহাজাগতিক কাঠামোর ইঙ্গিত দেয়।

দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটারসে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে জানানো হয়েছে, বিজ্ঞানীরা দুটি শক্তিশালী  টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই জেট শনাক্ত করেছেন। বিজ্ঞানী অ্যানিক গ্লোডেম্যান্স একে যুগান্তকারী আবিষ্কার হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, এটি মহাবিশ্বের শুরুর দিকের বৃহত্তম রেডিও জেট হতে পারে। অনুমান করা হচ্ছে, বিগ ব্যাংয়ের মাত্র ১২০ কোটি বছর পরই এই জেট তৈরি হয়েছিল।

গবেষকরা মনে করছেন, এই বিশাল রেডিও জেট সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের উপস্থিতির ইঙ্গিত দিতে পারে, যা একসময় আশপাশের গ্যালাক্সিগুলোর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এর গঠন ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের প্রাথমিক যুগে ব্ল্যাক হোলের কার্যকলাপ ও গ্যালাক্সির বিবর্তন সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

গবেষণায় ব্যবহৃত দুটি প্রধান টেলিস্কোপ হলো ইউরোপিয়ান লো-ফ্রিকোয়েন্সি অ্যারে (LOFAR) এবং আমেরিকার ভেরি লার্জ অ্যারে (VLA)। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই জেটের বৈশিষ্ট্য ব্যতিক্রমী, যা মহাবিশ্বের অজানা অধ্যায় উন্মোচনে সহায়ক হতে পারে। ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এর উৎপত্তি ও গতিপ্রকৃতি বিস্তারিতভাবে বোঝার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT