সাউথ কোরিয়ায় জেজু এয়ার দুর্ঘটনায় ১৭৯ জন নিহত, ২ জনকে জীবিত উদ্ধার - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে উত্তেজনা আদর্শিক নেতৃত্বই জাতিকে এগিয়ে নেয়—আফগানিস্তানের উন্নয়ন তার প্রমাণ: মামুনুল হক নোয়াখালীতে তাহাজ্জুদের সময় ১২ বছরের মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু ভারত অনুমতি না দেওয়ায় বুড়িমারীতে ভুটানের ট্রানজিট পণ্য আটকে অরুণাচলে মসজিদে ঢুকে ইমামকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলাতে চাপ গেজেট বঞ্চনার প্রতিবাদে ইবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘The Voice of JKKNIU’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত ঢাবিতে ৩০ নভেম্বর থেকে সকল ক্লাস অনলাইনে — শীতকালীন ছুটি অনিশ্চিত ঝিনাইদহে কুলখানি–বিতর্কে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত, লন্ডনে চিকিৎসা নিতে পারেন খালেদা জিয়া

সাউথ কোরিয়ায় জেজু এয়ার দুর্ঘটনায় ১৭৯ জন নিহত, ২ জনকে জীবিত উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৫২ বার দেখা হয়েছে
জেজু এয়ার দুর্ঘটনায়
সাউথ কোরিয়ায় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা, ছবি: রয়টার্স

আজ দক্ষিণ কোরিয়ায় জেজু এয়ার দুর্ঘটনায় মোট ১৭৯ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির অগ্নি নির্বাপক সংস্থা। তারা জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় এক ক্রু ও এক যাত্রী প্রাণে বেঁচে গেছেন। মুনান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই দুর্ঘটনায় ১৭৯ জন নিহতের মধ্যে ৬৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে,” জানিয়েছে অগ্নি নির্বাপক সংস্থা।

জেজু এয়ার-এর ওই ফ্লাইটটি ১৮১ জন আরোহী নিয়ে উড়ছিল, যার মধ্যে ছয়জন ছিলেন ক্রু সদস্য। স্থানীয় সময় সকাল ৯:০৭ মিনিটে মুনান কাউন্টিতে অবতরণের সময় বিমানটির ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা দেখা দেয় এবং আগুন ধরে যায়। মুনান, রাজধানী সিওলের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ২৮৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

দ্বৈত ইঞ্জিন বিশিষ্ট বিমানটি ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে রানওয়ে থেকে সরে গিয়ে একটি বেড়ায় ধাক্কা খেয়ে একটি দেয়ালে আছড়ে পড়ে এবং তীব্র বিস্ফোরণে আগুন ধরে যায়।

স্থানীয় গণমাধ্যমের ফুটেজে দেখা গেছে, বিমানটি রানওয়ে বরাবর পিছলে গিয়ে আগুনে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং ধ্বংসাবশেষ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

একজন যাত্রী এবং একজন ক্রু সদস্যকে বিমানের লেজের অংশ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

যাত্রীদের বেশিরভাগই ছিলেন কোরিয়ান, এছাড়াও দুইজন থাই নাগরিক ছিলেন।

বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উদ্ধার কার্যক্রমের মাধ্যমে ধ্বংসাবশেষের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

আগুনে আচ্ছন্ন

অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট চোই সাং-মোক যাত্রীদের জীবন রক্ষায় সমস্ত সম্পদ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে একত্রিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

“সব সংশ্লিষ্ট সংস্থা… যাত্রীদের রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসতে হবে,” তিনি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন।

চোই মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন এবং তিনি মুনান যাওয়ার পথে রয়েছেন বলে তার দপ্তর জানিয়েছে।

এটি জেজু এয়ার-এর ইতিহাসে প্রথম প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিমান সংস্থাটি দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম বৃহৎ স্বল্পমূল্যের এয়ারলাইন্স।

২০০৭ সালের ১২ আগস্ট, জেজু এয়ার-এর একটি বোম্বার্ডিয়ার Q400 বিমান, যাতে ৭৪ জন যাত্রী ছিল, দক্ষিণ বুসান-গিমহে বিমানবন্দরে প্রবল বাতাসের কারণে রানওয়ে থেকে সরে গিয়েছিল এবং এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছিলেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার বিমান শিল্প নিরাপত্তার দিক থেকে ভালো রেকর্ড ধরে রেখেছে।

গত বছর, একটি এশিয়ানা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট অবতরণের প্রস্তুতির সময় একজন যাত্রী জরুরি দরজা খুলে ফেলেছিল, তবে বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছিল এবং কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT