খেলাপি ঋণ : শীর্ষ খেলাপিদের কাছে পাওনা ৯ হাজার কোটি টাকা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব

খেলাপি ঋণ : শীর্ষ খেলাপিদের কাছে পাওনা ৯ হাজার কোটি টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক।
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৪২ বার দেখা হয়েছে

অগ্রণী ব্যাংকের শীর্ষ খেলাপিদের ঋণ পরিস্থিতি একটি গুরুতর অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণ প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ৯ হাজার কোটি টাকা আটকে আছে শীর্ষ ১৮ খেলাপির কাছে। এককভাবে সর্বোচ্চ খেলাপি জজ ভূঞা গ্রুপ, যাদের পাওনা ২৩০০ কোটি টাকা।

শীর্ষ খেলাপিদের তালিকা ও পাওনার পরিমাণ

১. জজ ভূঞা গ্রুপ: ২৩০০ কোটি টাকা

২. তানাকা গ্রুপ: ৯২৬ কোটি টাকা

৩. সাত্তার গ্রুপ: ৫৫০ কোটি টাকা

৪. মুন গ্রুপ: ৫২৪ কোটি টাকা

৫. সোনালি গ্রুপ: ৫২২ কোটি টাকা

৬. অ্যারোস্টোকেট গ্রুপ: ৪৬২ কোটি টাকা

৭. ঢাকা হাইড অ্যান্ড স্কিন: ৪৫৮ কোটি টাকা

৮. প্যাসিফিক গ্রুপ: ৪৪৪ কোটি টাকা

৯. সাদ মুসা ফেব্রিক্স: ৪১১ কোটি টাকা

১০. সাহাবা ইয়ার্ন: ৩৭৪ কোটি টাকা

১১. অ্যাডভান্স কম্পোজিট মিলস: ৩১৮ কোটি টাকা

১২. প্রাইম কম্পোজিট মিলস: ৩১২ কোটি টাকা

১৩. নাভানা ফার্নিচার: ২৭২ কোটি টাকা

১৪. লিউ ফ্যাশন: ২২৯ কোটি টাকা

১৬. আর্থ এগ্রো ফার্মস: ২২৪ কোটি টাকা

১৬. জুলিয়া সোয়েটার কম্পোজিট ও এমআর সোয়েটার কম্পোজিট: ২২০ কোটি টাকা

১৭. জয়নব ট্রেডিং: ১৮৫ কোটি টাকা

১৮. সামিটেক্স গ্রুপ: ১৭০ কোটি টাকা

ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা ও উদ্যোগখে

লাপি ঋণের হার: প্রায় ৪০%।

মূলধন সংরক্ষণের হার: ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে ৫% এর নিচে, যেখানে এটি ১২.৫% থাকা উচিত।

উদ্যোগ:

শীর্ষ খেলাপিদের কাছ থেকে ঋণ আদায় জোরদার।

খেলাপি ঋণ পুনঃতপশিল বা পুনর্গঠন।

নতুন ঋণ দেওয়া বন্ধ।

কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ।

পরবর্তী বছর ফরেনসিক অডিট পরিচালনা।

চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদের মতে, ব্যাংকের সঠিক চিত্র তুলে আনতে ফরেনসিক অডিট জরুরি। এছাড়া, কর্মকর্তাদের আচরণজনিত সমস্যার সমাধানে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে

ছে। ব্যাংকটির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজন।

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT