
দ্রুত ছড়িয়ে পড়া H5N1 ভাইরাস এত দ্রুত মিউটেশন ঘটাচ্ছে যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) আগাম মহামারি প্রতিরোধে টিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে।
১৯৯৭ সালে প্রথম মানব সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর থেকে H5N1 বার্ড ফ্লু ভাইরাস — যা অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা নামেও পরিচিত — একটি সুপরিচিত হুমকি হিসেবে বিদ্যমান, যা মূলত পাখিদের আক্রান্ত করে। তবে মাঝে মাঝে মানুষের সংস্পর্শে এলে সংক্রমণ ঘটতে পারে।
যদিও মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া আগে কখনও দেখা যায়নি, সাম্প্রতিক সময়ে বার্ড ফ্লু ভাইরাসটি নতুন স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ায় বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ বেড়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতিমধ্যেই আগাম টিকা প্রস্তুতিতে নেমেছে, এমন H5N1 ভ্যারিয়েন্ট নির্বাচন করছে যা যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ আমেরিকায় শনাক্ত ভাইরাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলে।
প্রয়োজন হলে দ্রুত টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে মানব-মানব সংক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
২০২১ সালে পরিযায়ী পাখিদের মাধ্যমে H5N1-এর একটি ভ্যারিয়েন্ট (ক্লেড 2.3.4.4b) উত্তর আমেরিকায় পৌঁছায়।
২০২২ সালে স্পেনের একটি মিঙ্ক খামারে প্রাদুর্ভাব ঘটে, যা গণ নিধনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
গত দশ মাসে উত্তর আমেরিকায় কমপক্ষে ৬৮ জন মানব সংক্রমণ রেকর্ড করা হয়েছে, যার মধ্যে একটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সংক্রমণ মৃদু ছিল, গবেষকরা সতর্ক করেছেন যে স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
বিশেষজ্ঞ ডা. জোসেফ শ্রীয়াল মালিক পেরিস, হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজির অধ্যাপক এবং WHO H5 রেফারেন্স ল্যাবের সহ-পরিচালক, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
“যখন একটি অ্যাভিয়ান ভাইরাস মানুষের বাইরে অন্য স্তন্যপায়ী প্রজাতির মধ্যে টেকসই সংক্রমণ স্থাপন করে, তখন ভাইরাসটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর সঙ্গে অভিযোজনের সুযোগ পায়, যা মানুষের জন্য ঝুঁকি বাড়াতে পারে,” তিনি ব্যাখ্যা করেন।
১৯৯০-এর দশক থেকে এই ভাইরাস সারা বিশ্বে ৮৬০ টিরও বেশি মানব সংক্রমণের কারণ হয়েছে, যার মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি মৃত্যু হয়েছে।
১৯৯৭ সালে হংকং-এ এটি প্রথম মানব সংক্রমণ ঘটায় এবং ১৮ জন সংক্রমিতের মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়।
“এটি বারবার গৃহপালিত পোলট্রিতে ছড়িয়ে পড়েছে এবং মাঝে মাঝে মানুষকেও সংক্রমিত করেছে,” ডা. পেরিস উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালে স্পেনে একটি মিঙ্ক খামারে প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়, যা নিয়ন্ত্রণ করা হয় গণ নিধনের মাধ্যমে।
ভাইরাসটি এখনও মহামারি-পর্যায়ের হুমকি হয়ে ওঠেনি, তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্কতামূলক পদক্ষেপের উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
ডা. পেরিস যুক্তরাষ্ট্রের দুগ্ধ শিল্পে কর্মরতদের জন্য সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম ব্যবহারের উপর জোর দেন, কারণ সংক্রমিত গরুর দুধে উচ্চ মাত্রার ভাইরাস পাওয়া গেছে।
“অধিক ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্যে যারা দুগ্ধ গরুর সঙ্গে কাজ করেন, তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হবে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়,” তিনি পরামর্শ দেন।
এছাড়াও, কাঁচা দুধ পান করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে পাস্তুরাইজেশনের মাধ্যমে ভাইরাস ধ্বংস হয়, তাই পাস্তুরাইজড দুধ নিরাপদ। অপরদিকে কাঁচা দুগ্ধজাত পণ্য এড়িয়ে চলা উচিত।
জনগণকে অসুস্থ বা মৃত বন্য পাখি এবং তীরে ভেসে আসা সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীর সংস্পর্শ এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ভাইরাসটি স্তন্যপায়ী প্রাণীতে ছড়িয়ে পড়ার মানে এই নয় যে একটি মানব মহামারি আসন্ন।
তবে H5N1-এর বিবর্তন অব্যাহত থাকায়, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা প্রাথমিক সতর্কতা, নজরদারি এবং টিকা প্রস্তুতির উপর জোর দিয়েছেন।
Been using 76bet for a bit now, and I’m liking it. No complaints so far. Easy to use, and the whole thing just works. Check them out: 76bet
76xgame popped up on my radar. Decent games, not too shabby at all. If you’re bored, give it a try. Here’s the link: 76xgame
Gave 76xbet a shot, and I was pleasantly surprised. It’s got a good vibe, and I didn’t have any trouble figuring things out. Might be worth checking out: 76xbet