গোপনে ইসরায়েল থেকে ২.৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কিনছে সংযুক্ত আরব আমিরাত - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
গাজীপুরে মাদ্রাসাছাত্র হত্যা: গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় রনিকে মেরে লাশ পুড়িয়ে দেয় ছাব্বির কুবিতে প্রথমবার জাতীয় বিতর্ক উৎসব, অংশ নেবে ৫৬টি দল আত্রাইয়ে স্ত্রী–সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, পরে স্বামীর আত্মহত্যা নিজ অফিসে ইবি শিক্ষিকাকে হত্যার বিচারের দাবিতে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল কুবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য আটক ইবিতে শিক্ষিকা খুন, কর্মচারীর আত্মহননের চেষ্টা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক ভূমি অফিস পরিদর্শন, কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুবিতে শিক্ষক সমিতি নির্বাচনের লক্ষ্যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন কুবির নটরডেমিয়ান পরিবারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ১১০ এতিম শিশুর সঙ্গে ইফতার

গোপনে ইসরায়েল থেকে ২.৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কিনছে সংযুক্ত আরব আমিরাত

আন্তর্জাাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০৫ বার দেখা হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী মুসলিম রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে গোপনে ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় অস্ত্র ক্রয় চুক্তি করেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা। ফ্রান্সভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইন্টিলিজেন্স অনলাইন প্রথম এই চুক্তির তথ্য ফাঁস করে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ইন্টিলিজেন্স অনলাইন-এর বরাতে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ আরব জানায়, ইসরায়েলের শীর্ষ অস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমস–এর সঙ্গে অত্যন্ত গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে এই চুক্তিটি সম্পন্ন করেছে আমিরাত।

গত মাসে এলবিট সিস্টেমস ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় চুক্তির ঘোষণা দিলেও তখন তারা ক্রেতা দেশের নাম প্রকাশ করেনি। প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বেজালেল মাচলিস সে সময় বলেন, এই চুক্তি তাদের “অনন্য প্রযুক্তিগত সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি”।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আমিরাত এলবিটের ‘জে-মিউজিক এয়ারক্রাফট প্রোটেকশন সিস্টেম’-এর উন্নত সংস্করণ কিনছে। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত লেজার প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা বিমানের দিকে নিক্ষেপ করা সারফেস-টু-এয়ার মিসাইলের সেন্সর নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। বেসামরিক ও সামরিক—উভয় ধরনের বিমানের সুরক্ষায় এটি ব্যবহৃত হয়।

ইসরায়েলি সরকারের অনুমোদনে একটি যৌথ প্রকল্পের আওতায় এই অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংযুক্ত আরব আমিরাতেই উৎপাদন করা হবে বলে জানিয়েছে ইন্টিলিজেন্স অনলাইন

চুক্তিটির মেয়াদ আট বছর এবং এটিকে ইসরায়েলের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানি চুক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সংবেদনশীলতার কারণে চুক্তির অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

এ বিষয়ে ওয়াশিংটনভিত্তিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক বিলাল সাব লিঙ্কডইনে লিখেছেন, “এটি একটি বিশাল চুক্তি হলেও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না হওয়ায় বিষয়টি তুলনামূলকভাবে আড়ালে থেকে গেছে।”

এদিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও অক্সফাম এই চুক্তির কঠোর সমালোচনা করেছে। তাদের আশঙ্কা, এমন অস্ত্র চুক্তি বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলতে পারে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইন লঙ্ঘনের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT