নোটিশ:
শিরোনামঃ
প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নে চাই গবেষণা ও দক্ষতার সেতুবন্ধ এআই ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে প্রবাসী দক্ষতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’: প্রবাসীদের সাংস্কৃতিক মিলনমেলা প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি: পরিবারগুলোর প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য কাতারের উত্তরে ট্যাংকারে দুটি অজ্ঞাত বস্তুর আঘাত: ইউকেএমটিও আশুলিয়ায় বেতন আন্দোলনে শতাধিক পোশাক কারখানার কার্যক্রম স্থগিত প্রবাসী আয় ১৪.২ শতাংশ বেড়ে ১২.১১ বিলিয়ন ডলার: বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়, বৈশ্বিক বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের চাহিদা বছরে ৩০৫ বিলিয়ন ডলার: জাতিসংঘ জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নের বিশাল ঘাটতি: প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে

দেশেই হবে বিশ্বমানের বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা, তুরস্কের বিনিয়োগে নতুন হাসপাতাল

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২০৮ বার দেখা হয়েছে
Screenshot 2025-11-06 223603

বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় দেশে এখনো কোনো সরকারিভাবে বিশেষায়িত হাসপাতাল নেই। গত কয়েক বছরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে প্রায় ২৫টি ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) সেন্টার গড়ে উঠেছে এবং সফলতাও মিলছে। তবুও প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক রোগী বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার জন্য ভারত ও সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন। সম্প্রতি চিকিৎসার গন্তব্য হিসেবে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে তুরস্ক।

এ অবস্থায় বাংলাদেশে বন্ধ্যত্ব চিকিৎসার জন্য আইভিএফ হাসপাতাল স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে তুরস্কের ওকান ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে অনুমোদিত মেডিকেল ট্যুরিজম কোম্পানি টার্কিশডক-এর মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাসপাতালটি নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ১০০ কোটি টাকা, যা আগামী বছরের শেষ নাগাদ চালু করার লক্ষ্য রয়েছে।

প্রথম দুই বছর তুরস্কের চিকিৎসকরা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবেন এবং পরবর্তী সময়ে স্থানীয় চিকিৎসকেরাই পুরো হাসপাতাল পরিচালনা করবেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ দম্পতি বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভোগেন। নিম্ন ও মধ্যআয়ের দেশগুলোতে এই হার ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রজনন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের বন্ধ্যত্বে আক্রান্ত এক-তৃতীয়াংশ দম্পতি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান।

টার্কিশডকের কান্ট্রি হেড এম নুরুজ্জামান রাজু বলেন, “প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি রোগী বিদেশে চিকিৎসার জন্য যান, এর বড় অংশ বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায়। তুরস্কের চিকিৎসা ব্যয় সিঙ্গাপুরের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কম, অথচ মানের দিক থেকে সর্বোচ্চ।”

তিনি জানান, “বাংলাদেশের চিকিৎসকরা যেন আধুনিক আইভিএফ প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত হতে পারেন, সেজন্য তুরস্ক থেকে বিশেষজ্ঞরা এখানে এসে কাজ করবেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের তুরস্কে প্রশিক্ষণের সুযোগও দেওয়া হবে।”

টার্কিশডকের প্রধান নির্বাহী ফাইক গকসু বলেন, “তুরস্ক ইতোমধ্যে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশে আমাদের লক্ষ্য কেবল হাসপাতাল নির্মাণ নয়, বরং জ্ঞান, প্রযুক্তি ও নৈতিক চিকিৎসা মানদণ্ড স্থানান্তর করা।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের আইভিএফ প্রোটোকলের সফলতার হার ৭০ শতাংশের বেশি, যা ইসলামি চিকিৎসা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাংলাদেশে নতুন হাসপাতালটি যৌথ রেফারেন্স সেন্টার হিসেবে কাজ করবে, যেখানে তুর্কি ও বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা একসঙ্গে গবেষণা ও চিকিৎসা পরিচালনা করবেন।”

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT