তাহসানকে ‘জিহাদি’ বলে কটাক্ষ তসলিমা নাসরিনের - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ইবিতে শিক্ষিকা খুন, কর্মচারীর আত্মহননের চেষ্টা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক ভূমি অফিস পরিদর্শন, কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুবিতে শিক্ষক সমিতি নির্বাচনের লক্ষ্যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন কুবির নটরডেমিয়ান পরিবারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ১১০ এতিম শিশুর সঙ্গে ইফতার চট্টগ্রাম সমিতি সি‌লে‌টের উদ্যো‌গে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থী , অফিস টাইম ছাড়া কল না দেওয়ার নির্দেশ হল প্রভোস্টের জার্মানির হফ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে বুটেক্সের এক্সচেঞ্জ সেমিস্টার বাস্তবায়ন, সুযোগ পেলো তিন শিক্ষার্থী রাজবাড়ীতে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১ মধ্যযুগীয় বর্বরতা বনাম অধুনাকালিক বর্বরতা

তাহসানকে ‘জিহাদি’ বলে কটাক্ষ তসলিমা নাসরিনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৩৫ বার দেখা হয়েছে

শেষ কনসার্টে সংগীত থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়ার পর নির্বাসিত লেখিকার বিতর্কিত মন্তব্য

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও অভিনেতা তাহসান খানকে ‘জিহাদি’ আখ্যা দিয়ে কটাক্ষ করেছেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে এক কনসার্টে দীর্ঘ দুই যুগের সংগীত জীবনের প্রতি বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়ে স্টেজ ক্যারিয়ার ধীরে ধীরে গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন তাহসান। এসময় তিনি বলেন, “মেয়ে বড় হচ্ছে। এখন কি দাঁড়ি রেখে স্টেজে দাঁড়িয়ে এমন লাফালাফি করা ভালো লাগে?”

এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। তসলিমা নাসরিন প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রশ্ন তোলেন, “দাড়ি রেখে বুঝি স্টেজে গান গাওয়া নিষেধ? মেয়ে বড় হলে গান গাওয়া বন্ধ করা উচিত? লাফালাফি করতে না চাইলে লাফালাফি না করেও গান গাওয়া যায়।”

তিনি আরও দাবি করেন, তাহসানের দাড়ি যদি “ইসলামী দাড়ি” হয়ে থাকে, তাহলে হয়তো তিনি ইসলামপন্থীদের ফতোয়ার কাছে নতি স্বীকার করে গান ছাড়ছেন। তার ভাষায়, “দেশে যখন জিহাদিরা গান বাজনা বন্ধ করার আন্দোলন করছে, তখন তাহসান কি তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে একমত? তিনি কি মনে করেন, দাড়িওয়ালা কিংবা মেয়ের বাবা হলে আর গান গাওয়া যায় না?”

তসলিমা অভিযোগ করেন, তাহসানের এই মনোভাব জঙ্গিদের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন জোগায়, যারা বাউল উৎসব, লালন মেলা বন্ধ করছে, স্কুল থেকে সংগীত শিক্ষা তুলে দিচ্ছে এবং মাজারে গানবাজনা বন্ধ করছে।

প্রসঙ্গত, তাহসানের সংগীতযাত্রা শুরু হয় ১৯৯৮ সালে ব্যান্ড ব্ল্যাক-এর মাধ্যমে। পরে ২০০৪ সালে একক অ্যালবাম ‘কিছু কথা’ প্রকাশের মাধ্যমে তিনি একক শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পরবর্তীতে ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য সুফিজ’ ব্যান্ড গঠন করে একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দেন। তার গাওয়া ‘চোখে চোখে কথা হতো’, ‘যদি কোনোদিন’, ‘চলে যাও তবে’, ‘আলো’, ‘ছুঁয়ে দিলে মন’, ‘কতদূর’ ও ‘প্রেম তুমি’ আজও কোটি ভক্তের হৃদয়ে দাগ কেটে আছে।

তাহসানের সংগীত থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত এবং তসলিমা নাসরিনের কটাক্ষ দুটোই বর্তমানে অনলাইনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT