তাহসানকে ‘জিহাদি’ বলে কটাক্ষ তসলিমা নাসরিনের - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
আদর্শিক নেতৃত্বই জাতিকে এগিয়ে নেয়—আফগানিস্তানের উন্নয়ন তার প্রমাণ: মামুনুল হক নোয়াখালীতে তাহাজ্জুদের সময় ১২ বছরের মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু ভারত অনুমতি না দেওয়ায় বুড়িমারীতে ভুটানের ট্রানজিট পণ্য আটকে অরুণাচলে মসজিদে ঢুকে ইমামকে ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলাতে চাপ গেজেট বঞ্চনার প্রতিবাদে ইবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘The Voice of JKKNIU’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত ঢাবিতে ৩০ নভেম্বর থেকে সকল ক্লাস অনলাইনে — শীতকালীন ছুটি অনিশ্চিত ঝিনাইদহে কুলখানি–বিতর্কে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত, লন্ডনে চিকিৎসা নিতে পারেন খালেদা জিয়া কঠিন সময়েও মানুষের পাশ থেকে সরে দাঁড়াননি খালেদা জিয়া: তাসনিম জারা

তাহসানকে ‘জিহাদি’ বলে কটাক্ষ তসলিমা নাসরিনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১২৩ বার দেখা হয়েছে

শেষ কনসার্টে সংগীত থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেওয়ার পর নির্বাসিত লেখিকার বিতর্কিত মন্তব্য

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও অভিনেতা তাহসান খানকে ‘জিহাদি’ আখ্যা দিয়ে কটাক্ষ করেছেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে এক কনসার্টে দীর্ঘ দুই যুগের সংগীত জীবনের প্রতি বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়ে স্টেজ ক্যারিয়ার ধীরে ধীরে গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন তাহসান। এসময় তিনি বলেন, “মেয়ে বড় হচ্ছে। এখন কি দাঁড়ি রেখে স্টেজে দাঁড়িয়ে এমন লাফালাফি করা ভালো লাগে?”

এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। তসলিমা নাসরিন প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রশ্ন তোলেন, “দাড়ি রেখে বুঝি স্টেজে গান গাওয়া নিষেধ? মেয়ে বড় হলে গান গাওয়া বন্ধ করা উচিত? লাফালাফি করতে না চাইলে লাফালাফি না করেও গান গাওয়া যায়।”

তিনি আরও দাবি করেন, তাহসানের দাড়ি যদি “ইসলামী দাড়ি” হয়ে থাকে, তাহলে হয়তো তিনি ইসলামপন্থীদের ফতোয়ার কাছে নতি স্বীকার করে গান ছাড়ছেন। তার ভাষায়, “দেশে যখন জিহাদিরা গান বাজনা বন্ধ করার আন্দোলন করছে, তখন তাহসান কি তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে একমত? তিনি কি মনে করেন, দাড়িওয়ালা কিংবা মেয়ের বাবা হলে আর গান গাওয়া যায় না?”

তসলিমা অভিযোগ করেন, তাহসানের এই মনোভাব জঙ্গিদের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন জোগায়, যারা বাউল উৎসব, লালন মেলা বন্ধ করছে, স্কুল থেকে সংগীত শিক্ষা তুলে দিচ্ছে এবং মাজারে গানবাজনা বন্ধ করছে।

প্রসঙ্গত, তাহসানের সংগীতযাত্রা শুরু হয় ১৯৯৮ সালে ব্যান্ড ব্ল্যাক-এর মাধ্যমে। পরে ২০০৪ সালে একক অ্যালবাম ‘কিছু কথা’ প্রকাশের মাধ্যমে তিনি একক শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পরবর্তীতে ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য সুফিজ’ ব্যান্ড গঠন করে একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দেন। তার গাওয়া ‘চোখে চোখে কথা হতো’, ‘যদি কোনোদিন’, ‘চলে যাও তবে’, ‘আলো’, ‘ছুঁয়ে দিলে মন’, ‘কতদূর’ ও ‘প্রেম তুমি’ আজও কোটি ভক্তের হৃদয়ে দাগ কেটে আছে।

তাহসানের সংগীত থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত এবং তসলিমা নাসরিনের কটাক্ষ দুটোই বর্তমানে অনলাইনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT