রাজবাড়ীতে স্বামী হত্যায় স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব

রাজবাড়ীতে স্বামী হত্যায় স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৮৮ বার দেখা হয়েছে

রাজবাড়ীর পাংশায় স্বামী শহিদ মণ্ডল হত্যা মামলায় স্ত্রী রহিমা খাতুন ও পরকীয়া প্রেমিক সোহেল মণ্ডলকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিই পলাতক ছিলেন।

সোহেল মণ্ডল জেলার পাংশা উপজেলার কাজিয়ালপাড়া গ্রামের জিয়া উদ্দিনের ছেলে এবং রহিমা একই গ্রামের নিহত শহিদ মণ্ডলের স্ত্রী।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৯ মার্চ রাত থেকে ১০ মার্চ ভোররাত ২টার মধ্যে শহিদ মণ্ডলকে তার স্ত্রী রহিমা খাতুন ও পরকীয়া প্রেমিক সোহেল শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে নিহতের ভাই শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে রাজবাড়ীর আমলী আদালতে সোহেলসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন, যা পরবর্তীতে পাংশা মডেল থানায় রেকর্ড হয়।

তদন্ত চলাকালে পুলিশ রহিমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে রহিমা জানান, বিয়ের আশ্বাসে প্রেমিক সোহেলের কথামতো তিনি দুধের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্বামীকে খাওয়ান। পরে শহিদ ঘুমিয়ে পড়লে সোহেল ঘরে ঢুকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে গলায় টিপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করে। কিছুক্ষণ পর রহিমা চিৎকার দিয়ে প্রতিবেশীদের ডাকেন।

এরপর জামিনে মুক্ত হয়ে রহিমা খাতুন পলাতক হন।

রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক জানান, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় আদালত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছে। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই পলাতক ছিলেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT