ন্যানোটেকনোলজি: ভবিষ্যৎ শক্তি সংকটের সম্ভাব্য সমাধান - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
How Bonuses and Promotions Foster Loyalty বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হলো আইটিইটি-বুটেক্স ক্যারিয়ার ফেয়ার ২০২৬ আর্থ ডে’তে বুটেক্সে ‘প্লাস্টিক এক্সচেঞ্জ’: প্লাস্টিকের বদলে মিলছে বীজযুক্ত কলম নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ‘নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত ধর্ম নয়, নিরাপত্তাই অগ্রাধিকার—বৌদ্ধ পূর্ণিমায় প্রধানমন্ত্রীর বড় বার্তা ইবির লালন শাহ হলে আবেগঘন বিদায়, শিক্ষার্থীদের চোখে জল! কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ইরান যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার কমেছে, ভবিষ্যৎ সংঘাতে ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার: দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত

ন্যানোটেকনোলজি: ভবিষ্যৎ শক্তি সংকটের সম্ভাব্য সমাধান

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫
  • ১৬৭ বার দেখা হয়েছে
ন্যানোটেকনোলজি

বাংলাদেশের প্রায় ১৭ কোটি মানুষের জন্য শিল্প, বাণিজ্যিক ও আবাসিকসহ বিভিন্ন খাতে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ও জ্বালানির প্রয়োজন হয়। প্রচলিত শক্তির উৎস—তেল, গ্যাস ও কয়লা—সীমিত হওয়ায় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে, ফলে ভবিষ্যৎ শক্তির চাহিদা মেটানো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বব্যাপী শক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদা এখন বড় দুশ্চিন্তার কারণ।

এই সংকট মোকাবিলায় বিকল্প শক্তির উৎস সন্ধান করা অত্যন্ত জরুরি। এক্ষেত্রে সৌরশক্তি হতে পারে কার্যকর সমাধান। সূর্যের আলো সোলার সেলের মাধ্যমে সংগ্রহ করে বিদ্যুতে রূপান্তর করা সম্ভব। সোলার সেল সেমিকন্ডাক্টর উপাদানে তৈরি, যা সূর্যালোক শোষণ করে ইলেকট্রন উৎপন্ন করে। তবে প্রচলিত সোলার সেলের কার্যকারিতা তুলনামূলক কম, যার ফলে অধিক সংখ্যক প্যানেল স্থাপন করতে হয় এবং ব্যয় বৃদ্ধি পায়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ন্যানোটেকনোলজির ব্যবহারের ফলে সোলার সেলের দক্ষতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ন্যানোকণা কোটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সোলার সেলের আলো শোষণক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হয়েছে, ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোয়ান্টাম ডট নামক ক্ষুদ্র ন্যানোকণা যুক্ত করার মাধ্যমে আরও উন্নতমানের সোলার সেল তৈরি করা হচ্ছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে অধিক কার্যকর।

এছাড়া, ন্যানোপেইন্ট প্রযুক্তি আবিষ্কার করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি ন্যানোক্রিস্টাল নিজেই সোলার সেলের মতো কাজ করে। ভবিষ্যতে যদি টক্সিক উপাদান ক্যাডমিয়ামের বিকল্প পাওয়া যায়, তবে ন্যানোপেইন্ট বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এটি বাড়ির বাইরের রঙের মতো ব্যবহার করেই সৌরশক্তি উৎপাদন করা যাবে।

শক্তি সংরক্ষণের জন্য বর্তমানে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহৃত হচ্ছে, যেখানে গ্রাফাইট ন্যানোসিটের সাহায্যে এর কার্যকারিতা বাড়ানো হয়েছে। তবে এসব ব্যাটারি চার্জ হতে বেশি সময় নেয় এবং খরচও বেশি। এর বিকল্প হিসেবে সুপার ক্যাপাসিটর প্রযুক্তি উন্নয়ন করা হয়েছে, যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই চার্জ নিতে সক্ষম। ভবিষ্যতে ন্যানোটেকনোলজির মাধ্যমে এমন ইট তৈরি করা হচ্ছে, যা ঘরের প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ শক্তি সংরক্ষণ।

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT