
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের একটি হেফেজিয়া মাদ্রাসায় কোরআন পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে দিয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে বহুমুখী হাফেজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। আটক যুবকের নাম বায়জিদ (৩০), তিনি বাড়িখলা গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বায়জিদ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং কোরআনে ভুল আছে বলে এলাকায় বিতর্কিত মন্তব্য করে আসছিলেন। শুক্রবার তিনি হঠাৎ মাদরাসায় প্রবেশ করে একটি কোরআন হাতে নেন এবং প্রকাশ্যে আগুন ধরিয়ে দেন। তাৎক্ষণিকভাবে মাদরাসার শিক্ষক ও আশপাশের লোকজন তাকে আটক করে রাখেন এবং পরে সন্ধ্যায় নবীনগর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বলেন, কোরআন অবমাননার অভিযোগে যুবককে স্থানীয়রা আটক করেছিল। বহু চেষ্টার পর পুলিশ তাকে হেফাজতে নিতে সক্ষম হয়। তিনি জানান, বায়জিদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক হওয়ায় তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের ধারণা, তিনি মানসিকভাবে অস্থিতিশীল। চিকিৎসা শেষে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়, তবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানায়।