জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে 'ত্রিশাল মুক্ত দিবস' উদযাপিত - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Pin Up Casino Onlayn Azərbaycan

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ত্রিশাল মুক্ত দিবস’ উদযাপিত

মাহমুদা নাঈমা, জাককানইবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৫ বার দেখা হয়েছে
ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হলো ‘ত্রিশাল মুক্ত দিবস’।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর ২০২৫) সকালে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

পতাকা উত্তোলনের পর বিজয় র‍্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চির উন্নত মম শির–এ গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালি শেষে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে চির উন্নত মম শির–এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “যেসব মুক্তিযোদ্ধা জীবন দিয়েছেন, ত্যাগ স্বীকার করেছেন তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ত্রিশালের মানুষ যে অনুভূতি নিয়ে এই দিনকে দেখেছিল, আজ আমরা তা না পেলেও চেতনা আমাদের ভেতরে আছে। ডিসেম্বর মাস থেকেই আমরা আমাদের শক্তি ফিরে পেতে শুরু করি। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির সূচনা করে।”
তিনি আরও বলেন, “ত্রিশাল মুক্ত দিবস ও বিজয় দিবসের চেতনাকে ধারণ করে আমরা যেন প্রকৃত বাংলাদেশি হিসেবে স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারি—এ কামনা করি।”

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ এইচ এম কামাল।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, চারুকলা অনুষদের ডিন ও উদ্যাপন কমিটির সদস্য–সচিব অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ সুখন), আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম। অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT