ইনকিলাব নিয়ে তীব্র বার্তা! ‘জুলাই বিপ্লবের শত্রুদের চিহ্নিত করুন’—হেফাজত নেতা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
লালমনিরহাটের অটোমেটেড টার্নটেবিলে নিয়মিত ঘুরছে লোকোমোটিভ, কমছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বালিয়াকান্দিতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার বালিয়াকান্দির বনগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বারেক শেখের মৃত্যু ফরিদপুরে সিজারিয়ান রোগীর পেটে দেড় কেজি গজ রেখে সেলাইয়ের দেড় মাস পর রোগীর মৃত্যু বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধের তদন্তে অনিয়মের অভিযোগ, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট

ইনকিলাব নিয়ে তীব্র বার্তা! ‘জুলাই বিপ্লবের শত্রুদের চিহ্নিত করুন’—হেফাজত নেতা

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৪ বার দেখা হয়েছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ‘ইনকিলাব’, ‘ইনসাফ’ ও ‘আজাদি’ শব্দগুলোকে ঐতিহাসিক ভাষা-সম্পদ আখ্যা দিয়ে সেগুলোর বিরুদ্ধে সমালোচনাকে ‘সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। তিনি ছাত্র-জনতার প্রতি এসব শব্দ জনপরিসরে আরও ব্যাপকভাবে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মাওলানা ইসলামাবাদী বলেন, ‘ইনকিলাব’, ‘ইনসাফ’ ও ‘আজাদি’ কেবল শব্দ নয়—এগুলো এদেশের সংগ্রামী ইতিহাসের শক্তিশালী ভাষিক উত্তরাধিকার। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতার নানা পর্যায়ে এসব শব্দ মানুষের রাজনৈতিক চেতনাকে জাগ্রত করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করেন, “পরাজিত সাংস্কৃতিক ফ্যাসিস্টরা পরিকল্পিতভাবে এসব শব্দের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে।” তাঁর মতে, আরবি, ফারসি ও উর্দু উৎসের বহু শব্দ বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে এবং সেগুলোকে বিতর্কিত করার চেষ্টা মূলত ইতিহাস ও চেতনাকে দুর্বল করার অপপ্রয়াস।

সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতার মুখে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। যদিও সরাসরি কারও নাম উল্লেখ করেননি, তবে ইঙ্গিত করেন যে, এই মানসিকতা জুলাই বিপ্লবের চেতনাবিরোধী।

মাওলানা ইসলামাবাদী বলেন, “‘শহীদ মিনার’ কিংবা আওয়ামী লীগ-এর মতো শব্দ পরিবর্তনের দাবি কেউ তোলে না। অথচ নির্দিষ্ট কিছু শব্দকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে—এটি উগ্র সেক্যুলার ও ঔপনিবেশিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।”

তিনি আরও বলেন, চলমান সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে টিকে থাকতে বুদ্ধিবৃত্তিক ও পেশাগত সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। একইসঙ্গে ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদী বয়ান নতুন করে প্রতিষ্ঠার যে কোনো প্রচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার ঘোষণা দেন তিনি।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT