ইনকিলাব নিয়ে তীব্র বার্তা! ‘জুলাই বিপ্লবের শত্রুদের চিহ্নিত করুন’—হেফাজত নেতা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ড্রোন হামলার আশঙ্কা, বন্ধ দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইরানের হামলায় তেল আবিবে আতঙ্ক: মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে আন্ডারগ্রাউন্ডে গাজীপুরে মাদ্রাসাছাত্র হত্যা: গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় রনিকে মেরে লাশ পুড়িয়ে দেয় ছাব্বির কুবিতে প্রথমবার জাতীয় বিতর্ক উৎসব, অংশ নেবে ৫৬টি দল আত্রাইয়ে স্ত্রী–সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, পরে স্বামীর আত্মহত্যা নিজ অফিসে ইবি শিক্ষিকাকে হত্যার বিচারের দাবিতে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল কুবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য আটক ইবিতে শিক্ষিকা খুন, কর্মচারীর আত্মহননের চেষ্টা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক ভূমি অফিস পরিদর্শন, কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইনকিলাব নিয়ে তীব্র বার্তা! ‘জুলাই বিপ্লবের শত্রুদের চিহ্নিত করুন’—হেফাজত নেতা

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ‘ইনকিলাব’, ‘ইনসাফ’ ও ‘আজাদি’ শব্দগুলোকে ঐতিহাসিক ভাষা-সম্পদ আখ্যা দিয়ে সেগুলোর বিরুদ্ধে সমালোচনাকে ‘সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। তিনি ছাত্র-জনতার প্রতি এসব শব্দ জনপরিসরে আরও ব্যাপকভাবে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মাওলানা ইসলামাবাদী বলেন, ‘ইনকিলাব’, ‘ইনসাফ’ ও ‘আজাদি’ কেবল শব্দ নয়—এগুলো এদেশের সংগ্রামী ইতিহাসের শক্তিশালী ভাষিক উত্তরাধিকার। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতার নানা পর্যায়ে এসব শব্দ মানুষের রাজনৈতিক চেতনাকে জাগ্রত করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করেন, “পরাজিত সাংস্কৃতিক ফ্যাসিস্টরা পরিকল্পিতভাবে এসব শব্দের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে।” তাঁর মতে, আরবি, ফারসি ও উর্দু উৎসের বহু শব্দ বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে এবং সেগুলোকে বিতর্কিত করার চেষ্টা মূলত ইতিহাস ও চেতনাকে দুর্বল করার অপপ্রয়াস।

সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতার মুখে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। যদিও সরাসরি কারও নাম উল্লেখ করেননি, তবে ইঙ্গিত করেন যে, এই মানসিকতা জুলাই বিপ্লবের চেতনাবিরোধী।

মাওলানা ইসলামাবাদী বলেন, “‘শহীদ মিনার’ কিংবা আওয়ামী লীগ-এর মতো শব্দ পরিবর্তনের দাবি কেউ তোলে না। অথচ নির্দিষ্ট কিছু শব্দকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে—এটি উগ্র সেক্যুলার ও ঔপনিবেশিক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।”

তিনি আরও বলেন, চলমান সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে টিকে থাকতে বুদ্ধিবৃত্তিক ও পেশাগত সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। একইসঙ্গে ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদী বয়ান নতুন করে প্রতিষ্ঠার যে কোনো প্রচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার ঘোষণা দেন তিনি।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT