ফেনী সরকারি কলেজে হিজাব নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগ প্রাণীবিদ্যার বিভাগের প্রধানের বিরুদ্ধে - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ দর্শনার্থীদের ঢল সেমিকন্ডাক্টর খাতে সুখবর, আসছে বিশেষ প্রণোদনা দক্ষিণ কোরিয়ার নজরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, বড় বিনিয়োগ সম্ভাবনা জলাবদ্ধ এলাকায় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: পলি নেট হাউসে বছরে ১০ লাখ পর্যন্ত মানসম্মত চারা উৎপাদন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট, তফসিল ঘোষণা ইসির

ফেনী সরকারি কলেজে হিজাব নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগ প্রাণীবিদ্যার বিভাগের প্রধানের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৯৫ বার দেখা হয়েছে

ফেনী সরকারি কলেজের এক শিক্ষার্থীকে হিজাব পরার কারণে কটাক্ষ করার অভিযোগ উঠেছে কলেজের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান বিপ্লব কুমার শীলের বিরুদ্ধে। রোববার দুপুরে ক্যাম্পাসে ঘটে এ ঘটনা, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফেনী সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাতিমা আইমান রুহি দাবি করেছেন, রোববার দুপুরে টিউশন থেকে হলে ফেরার পথে প্রশাসনিক ভবনের সামনে তাকে সামনাসামনি থামিয়ে ব্যক্তিগত প্রশ্ন করেন প্রাণীবিদ্যা বিভাগের প্রধান বিপ্লব কুমার শীল। পরিচয় জানতে চাইবার পর শিক্ষক তার সৌন্দর্য উল্লেখ করে বলেন, ‘এত সুন্দরী মেয়ে এত অন্ধকারে ডুবিয়ে রাখো কেন? এত আড়াল করো কেন?’ — যা শিক্ষার্থীর কাছে হিজাব নিয়ে মন্তব্য হিসেবে মনে হয়।

রুহি জানান, তিনি সরাসরি জিজ্ঞেস করলে শিক্ষক প্রথমে মন্তব্য অস্বীকার করেন, পরে আবার বলেন যে সাহিত্যের শিক্ষার্থীরা “এভাবে থাকে না”, এবং তাদের চেহারা-আচরণ দেখে তা বোঝা যায়। ঘটনাটি তাকে বিব্রত ও ক্ষুব্ধ করেছে বলে ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষ্যে, ঘটনাস্থলে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা থাকার কারণে শিক্ষক দ্রুত সরে পড়েন।

রুহি লিখেছেন, “একজন শিক্ষক কি একজন শিক্ষার্থীর সৌন্দর্য নিয়ে কথা বলার অধিকার রাখেন? বোরকা বা হিজাব দেখলেই কি এদের হৃদপিণ্ডে আঘাত লাগে?” — এ প্রশ্ন তিনি জনসমক্ষে তুলে ধরেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক বিপ্লব কুমার শীলের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ঘটনাটি নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ মো. এনামুল হক খোন্দকার সাংবাদিকদের বলেন, তিনি বিষয়টি শুনেছেন, তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা পড়েনি।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT