চান্দিনায় মাকসুদা বেগমকে অমানবিক নির্যাতন, ভাশুরের পরিবারকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
গাজীপুরে মাদ্রাসাছাত্র হত্যা: গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় রনিকে মেরে লাশ পুড়িয়ে দেয় ছাব্বির কুবিতে প্রথমবার জাতীয় বিতর্ক উৎসব, অংশ নেবে ৫৬টি দল আত্রাইয়ে স্ত্রী–সন্তানকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, পরে স্বামীর আত্মহত্যা নিজ অফিসে ইবি শিক্ষিকাকে হত্যার বিচারের দাবিতে ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল কুবি শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য আটক ইবিতে শিক্ষিকা খুন, কর্মচারীর আত্মহননের চেষ্টা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক ভূমি অফিস পরিদর্শন, কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুবিতে শিক্ষক সমিতি নির্বাচনের লক্ষ্যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন কুবির নটরডেমিয়ান পরিবারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ১১০ এতিম শিশুর সঙ্গে ইফতার

চান্দিনায় মাকসুদা বেগমকে অমানবিক নির্যাতন, ভাশুরের পরিবারকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ

শারাফাত হোসাইন, কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৬ বার দেখা হয়েছে

চান্দিনা উপজেলার জামিরা পাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় মাকসুদা বেগম নামে এক নারীকে বেধড়ক মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ভাশুরের পরিবারের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী চান্দিনা থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

চান্দিনা উপজেলার জামিরা পাড়ায় মাকসুদা বেগম নামে এক নারীকে অমানবিক নির্যাতন করে মুমূর্ষু অবস্থায় ফেলে রেখেছেন তাঁর ভাশুরের পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী চান্দিনা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর ভাশুর তারিফুল ইসলাম (চারু), তার স্ত্রী ফারজানা, মা কুলসুমা বেগম এবং ভাই আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ২০ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) তুচ্ছএক ঘটনার জেরে তারিফুলের নেতৃত্বে তার মা ও স্ত্রী মিলে মাকসুদা বেগমকে বেধড়ক মারধর করেন। অভিযোগে বলা হয়, তারিফ মাকসুদাকে লাথি, ঘুষি ও চুল ধরে গাছের সঙ্গে আঘাত করেন। অতিরিক্ত মারধরের ফলে তিনি ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে তারিফ হাতে দা নিয়ে তাকে জবাই করার চেষ্টা করেন; তবে স্থানীয়দের বাধায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো যায়।

ভুক্তভোগী জানান, এর আগেও অন্তত তিনবার তাকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করেছে অভিযুক্তরা। তাদের শক্তির মূল উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তারিফের বোন ফারজানা আখতার পলিকে, যিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইউনিটে কনস্টেবল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর প্রভাব খাটিয়েই পরিবারের সদস্যরা জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে বারবার হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ মাকসুদার।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ফারজানার মেজো ভাই আরিফ (কালু) প্রায়ই হুমকি দিয়ে বলেন—“স্বেচ্ছায় বাড়ি না ছাড়লে প্রয়োজন হলে মেরে ফেলব; যা হবে, আমার বোন দেখবে।” ফারজানা নাকি তার পরিবারকে আশ্বস্ত করে বলেন, “সমস্যা নেই, যা হবে আমি স্যারের মাধ্যমে হ্যান্ডেল করে নেব।”

ভুক্তভোগীর ছেলে ও মেয়ে পড়ালেখার কারণে চট্টগ্রামে থাকেন; ফলে মাকসুদা বেগমকে বাড়িতে একাই থাকতে হয়। এই সুযোগে এর আগেও মোস্তফা নামের এক ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তাঁকে এবং তাঁর মেয়েকে মারধর ও শ্লীলতাহানির শিকার করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT