রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ৫০ বছর নিয়ে সেমিনার - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধের তদন্তে অনিয়মের অভিযোগ, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ দর্শনার্থীদের ঢল সেমিকন্ডাক্টর খাতে সুখবর, আসছে বিশেষ প্রণোদনা দক্ষিণ কোরিয়ার নজরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, বড় বিনিয়োগ সম্ভাবনা জলাবদ্ধ এলাকায় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: পলি নেট হাউসে বছরে ১০ লাখ পর্যন্ত মানসম্মত চারা উৎপাদন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ৫০ বছর নিয়ে সেমিনার

মো. রাফাসান আলম, রাবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬৪ বার দেখা হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের পঞ্চাশ বছর পূর্তিকে কেন্দ্র করে সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ আগস্ট) সকাল ১০টায় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী অ্যাকাডেমিক ভবনের ৪২২ নং কক্ষে এ সেমিনার হয়। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদরা দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন, সুনীল অর্থনীতি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সভাপতি ড. মো. শরিফুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্যে বলেন, চীন বহু বছর ধরে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার, তাই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, উন্নত জ্ঞান উন্নত অনুশীলনে রূপান্তরিত হয় এবং সুনীল অর্থনীতি সেই ক্ষেত্রগুলোর একটি। চীন সুনীল অর্থনীতি সহযোগিতায় বৈশ্বিকভাবে শীর্ষস্থানীয়, প্রায় ২০টি আফ্রিকান দেশের সঙ্গে তারা মৎস্য সহযোগিতা সম্প্রসারণ করেছে। বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সামুদ্রিক মৎস্যসহ এ খাতে চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদুল আলম বলেন, চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো অংশীদার এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) প্রকল্পের অন্যতম সহযোগী দেশ। বিপুল আমদানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সুনীল অর্থনীতিতে চীন বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে।

একই বিভাগের অধ্যাপক ড. সুজিত কুমার দত্ত বলেন, ১৯৭৫ সালে স্বীকৃতির পর থেকেই চীন অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে আসছে এবং অবকাঠামো উন্নয়নে বহুমুখী অবদান রেখেছে।

সেমিনার শেষে শিক্ষার্থী ও অতিথিদের অংশগ্রহণে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষকসহ প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT