ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Casino Winbeast – ce qu’il faut savoir

ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৭ বার দেখা হয়েছে

ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা। মঙ্গলবার এক নিরাপত্তাসংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে। কেউ যদি ব্যালট বাক্স ছিনতাই বা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে, তাহলে তা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

ব্যালট বাক্স ছিনতাই প্রসঙ্গে জুয়েল রানা বলেন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার—সবাই দায়িত্বে থাকবে। সবার হাতে থাকবে আধুনিক অস্ত্র। এগুলো দেখলেই কেউ ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার সাহস পাবে না।

তিনি আরো বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি বা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিন বিকেলে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে নির্বাচন উপলক্ষে র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ ফুট পেট্রোল মহড়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এডিসি জুয়েল রানা।

তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে মোহাম্মদপুর এলাকায় এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, যাতে দুষ্কৃতকারী ও বিশৃঙ্খলাকারীদের মধ্যে ভয় কাজ করছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আগেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আইজিপি বাহারুল আলম জানিয়েছেন, নির্বাচনে জালিয়াতি ও সহিংসতা রোধে এবার প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের ৯০ শতাংশ কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

আইজিপি আরো জানান, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের পোশাকে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা। পুলিশ সুপারদের (এসপি) নেতৃত্বে নির্বাচনি এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হবে ড্রোন।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো জানান, এবারের নির্বাচনে ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি থাকবে।

সারা দেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে তিনটি প্রধান স্তরে ভাগ করা হয়েছে: প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েন। এলাকাভিত্তিক টহল টিম। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণকারী দল। নিরাপত্তায় মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য সরাসরি দায়িত্ব পালন করছেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT