ছেলেদের ইসলামী শিক্ষা নিশ্চিত করতে চলচ্চিত্র থেকে বিদায় নেবেন অনন্ত জলিল - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব কুবিতে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন ‘পাটাতন’-এর প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা খালেদা জিয়ার মৃত্যু কি ‘স্লো পয়জনিং’? বিস্ফোরক অভিযোগ জানালেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের প্রধান অধ্যাপক মালদ্বীপে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সুরক্ষা ও অধিকার নিয়ে হাইকমিশন–ইমিগ্রেশনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় ১০ বছরে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব: ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন, ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ সমাজের গুণী ব্যক্তি, দেশের সম্পদ: বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী

ছেলেদের ইসলামী শিক্ষা নিশ্চিত করতে চলচ্চিত্র থেকে বিদায় নেবেন অনন্ত জলিল

বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৩৫ বার দেখা হয়েছে

ঢাকাই চলচ্চিত্রের সুপরিচিত অভিনেতা অনন্ত জলিল সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তার দুই ছেলে ইসলামিক শিক্ষায় গভীরভাবে নিয়োজিত এবং এজন্য তিনি চলচ্চিত্রে দীর্ঘমেয়াদি অংশগ্রহণ কমিয়ে দিতে চাইছেন। অনন্ত জলিল বলেন, “আমার হাতে যে কয়েকটি সিনেমা কাজ আছে, সেগুলো শেষ করে হয়তো চলচ্চিত্র ছেড়ে দেব। কারণ বাচ্চারা বড় হয়ে যাচ্ছে, আর আমি চাইছি, তারা ইসলামিক লেখাপড়া করবে আর আমি সিনেমা করি—এটা ভালো দেখায় না।”

অনন্ত-বর্ষার ঘরে আবারও ছেলে সন্তান

তিনি আরও বলেন, তার দুই ছেলে আরিজ ও আবরার। বড় ছেলে ১০ বছর বয়সী এবং ছোট ছেলে ৭ বছর বয়সী—ইসলামী শিক্ষায় অগ্রগতি করছে। বড় ছেলে ৮ পারা কোরআনে হাফেজ হয়েছেন, এবং ছোট ছেলেও কোরআন রিডিং শেষ করেছে ও দ্বিতীয়বার শুরু করেছে। অনন্ত জলিল জানান, “যখন বর্ষা প্রথম প্রেগন্যান্ট ছিলেন, তখনই আমরা পরিকল্পনা করেছিলাম আমাদের ছেলে হাফেজ ও মুফতি হবেন। পরবর্তীতে মদিনায় ইসলামিক পড়াশোনা করানো হবে।”

ছেলেদের ইসলামিক শিক্ষার জন্য অনন্ত জলিল ও তার স্ত্রী বর্ষা তাদের সন্তানদের মানারাতে স্কুলে ভর্তি করেছেন। সেখানে ইংলিশ মিডিয়ামের সঙ্গে ধর্মীয় পড়াশোনা হয়। অনন্ত জলিল বলেন, “ওরা জোহরের নামাজের পর স্কুলে আসে, বাসায় ফেরার পর ওদের শিক্ষকরা ঘরে আসেন, তারপর তারা মাদ্রাসায় চলে যায়। ওরা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত। তাই বাচ্চাদের ওপর চাপ পড়া উচিত নয়, বরং তাদের ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”

ছেলে-মেয়েদের ধর্মীয় চেতনায় প্রভাব রাখার পাশাপাশি অনন্ত জলিল পরিবারে নামাজ, কোরআন শিক্ষা ও ইসলামী মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা বাসায় নামাজের জন্য ইমাম নির্বাচন করি লটারি পদ্ধতিতে। সন্তানদের চরিত্র গঠনে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব সবসময় রেখেছি। যদি তারা হাফেজ হয়ে যায়, আমরা আনন্দের সঙ্গে চলচ্চিত্রে বিদায় নেব।”

বর্তমানে অনন্ত জলিলের হাতে থাকা চলচ্চিত্রের কাজও শেষ পর্যায়ে। তিনি জানান, “‘নেত্রী দ্য লিডার’ সিনেমার কাজ প্রায় ৭০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই মুক্তির জন্য প্রস্তুত হবে। এরপরই আমি ভাবছি যে, চলচ্চিত্র থেকে বিশ্রাম নেওয়া এবং পুরো মনোযোগ ছেলেদের ইসলামিক শিক্ষা নিশ্চিত করার দিকে নিবেদন করব।”

এভাবে অনন্ত জলিলের সিদ্ধান্ত তার পরিবারের ইসলামিক মূল্যবোধ, ছেলেদের ধর্মীয় শিক্ষা ও চরিত্র গঠনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে। অভিনেতা নিজেও স্বীকার করেছেন, চলচ্চিত্রের আলোচনায় থাকলেও তার জীবনের মূল ফোকাস এখন ইসলামী শিক্ষার দিকে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT