আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদের সম্পৃক্ত - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Casino Winbeast – ce qu’il faut savoir

আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদের সম্পৃক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯৮ বার দেখা হয়েছে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়টির তৎকালীন উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্যে উঠে এসেছে, আন্দোলনের সময় তিনি কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) আবু সাঈদ হত্যা সংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসিসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রুহুল আমিন।

জবানবন্দিতে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে জানান, আন্দোলন চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকলেও উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদ আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম বন্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। বরং তিনি নিরীহ ছাত্র-জনতার কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেন—যা হত্যাকাণ্ড সংঘটনে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, তৎকালীন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন।

এ মামলায় বর্তমানে ছয়জন আসামি গ্রেপ্তার রয়েছেন। তাদের মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম অন্যতম। তার বিষয়ে রুহুল আমিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও শরিফুল ইসলাম অন্য আসামিদের বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ব্যর্থ হন। বরং আবু সাঈদকে হত্যা এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীদের গুরুতর জখম করার ঘটনায় তিনি উসকানি দেন ও সহযোগিতা করেন।

জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আবু সাঈদকে হত্যা ও অন্যান্যদের গুরুতর জখম করার ঘটনায় প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ও উসকানি দেন। গত বছরের ১১ জুলাই তিনি আবু সাঈদকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করা হয়।

তদন্তে আরও উঠে আসে, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় সরাসরি গুলি করে আবু সাঈদকে হত্যা করেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT