
লালমনিরহাট রেলওয়ের দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত অটোমেটেড টার্নটেবিলে নিয়মিতভাবে লোকোমোটিভ ঘোরানো হচ্ছে। এর ফলে লোকোমোটিভের শর্টহুডে অর্থাৎ গন্ত্যব্যের দিকে সোজামুখী রেখে ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে, যার জন্য চালককের রেলপথ ও সিগন্যাল দেখতে সুবিধা হচ্ছে বলে নিরাপদে ট্রেন পরিচালনা সহজ হচ্ছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) লালমনিরহাটের টার্নটেবিলে বাংলাদেশ রেলওয়ের ২৯২৬ নম্বর লোকোমোটিভটি ঘোরানো হয়। পরে লোকোমোটিভটি ঢাকাগামী আন্তঃনগর রংপুর এক্সপ্রেসের সঙ্গে সংযুক্ত করে পরিচালনা করা হয়। বাংলাদেশ রেলওয়ের সময়সূচি অনুযায়ী রংপুর এক্সপ্রেস ৭৭১/৭৭২ নম্বরে ঢাকা ও রংপুরের মধ্যে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেন।
লালমনিরহাটে প্রায় তিন দশক ধরে কার্যকর টার্নটেবিল না থাকায় মিটারগেজ লোকোমোটিভ ও কোচ ঘোরানোর জন্য সেগুলোকে কয়েক মাস পরপর ঢাকার কমলাপুরে নিতে হতো। এতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি কোচবিহীন লোকোমোটিভ দীর্ঘপথে স্থানান্তরের জটিলতাও ছিল। নতুন টার্নটেবিল নির্মাণের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবেই এ কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়।
লালমনিরহাট রেলস্টেশনের প্রায় আধা কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে সিক লাইন এলাকায় ৯ শতক জমির ওপর টার্নটেবিলটি ২০২৪ সালের মাঝামাঝিতে নির্মিত হওয়ার পর থেকে এখানে কোচ ও লোকোমোটিভ ঘোরানো হয়ে আসছে। এতে কোচের চাকার ক্ষয় কমিয়ে একদিকে যেমন সরকারি অর্থের সাশ্রয় সম্ভব হচ্ছে, অন্যদিকে তেমন লোকোমোটিভ সোজামুখী হওয়ায় নিরাপদে রেল চলাচলও সহজ হয়েছে।