ফরিদপুরে সিজারিয়ান রোগীর পেটে দেড় কেজি গজ রেখে সেলাইয়ের দেড় মাস পর রোগীর মৃত্যু - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
লালমনিরহাটের অটোমেটেড টার্নটেবিলে নিয়মিত ঘুরছে লোকোমোটিভ, কমছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বালিয়াকান্দিতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার বালিয়াকান্দির বনগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বারেক শেখের মৃত্যু ফরিদপুরে সিজারিয়ান রোগীর পেটে দেড় কেজি গজ রেখে সেলাইয়ের দেড় মাস পর রোগীর মৃত্যু বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধের তদন্তে অনিয়মের অভিযোগ, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট

ফরিদপুরে সিজারিয়ান রোগীর পেটে দেড় কেজি গজ রেখে সেলাইয়ের দেড় মাস পর রোগীর মৃত্যু

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা, বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ী
  • আপডেট সময় সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

ফরিদপুর সমরিতা হাসপাতালে সিজারিয়ান রোগীর পেটে দেড় কোজি গজ রেখে সেলাইয়ের এক মাস ২০ দিন পর মারা গেছে কবিকা মন্ডল (৩৫) নামে এক রোগী। তিনি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের বাঘুটিয়া গ্রামের অশান্ত মন্ডলের স্ত্রী। বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২ টার দিকে ঢাকা কল্যাণপুর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছে।

নিহতের স্বামী অশান্ত মন্ডল বলেন, গত ২৯ জুন ফরিদপুর সমরিতা হাসপাতালে সিজারিয়ানের জন্য ভর্তি করা হয়। ওইদিন সন্ধ্যায় ডা. লক্ষী রানী দত্ত সিজারিয়ানের মাধ্যমে কন্যা সন্তান প্রসব করান। পরদিনই কনিকার পেট ফুলে যায়। সেখান থেকে ঢাকা ইবনে সিনা হাসপাতালে গত ৩ জুলাই ভর্তি করা হয়। গত ৭ জুলাই ডা. আব্দুল জলিলের তত্বাবধানে চিকিৎসাকালীন পরীক্ষা করে দেখতে পান তার পেটে প্রায় দেড় কেজি গজ রেখে সেলাই দেওয়া হয়েছে। ওইদিনই সেখানে অপারেশনের মাধ্যমে গজ বের করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২ টার সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছে। এখন আমি ২ মাসের সন্তান নিয়ে কিভাবে বাঁচবো। আরও ২ টি ছোট ছোট ছেলে নিয়ে অথৈই সাগরে পড়লাম। আমি বিচার দাবী করছি।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক লক্ষী রানী দত্ত আমার হোয়াইটঅ্যাপ ম্যাসেজ দিয়ে লেখেন, দাদা নমস্কার। ভালো থাকুন ঈশ্বরের কাছে সেই প্রার্থনা করি। সব কথার আগে করজোড়ে ক্ষমা প্রার্থী। ভুল মানুষেরই হয়, অনেক ঝামেলার ভিতর থেকে আমি ভুল করে ফেলেছি আমি বার বার ক্ষমা প্রার্থী আপনার কাছে। কিভাবে অনেক কষ্টে আছি। আবারও ক্ষমা চাচ্ছি দাদা।
এ বিষয়ে ডা. লক্ষী রানী দত্তের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার খেয়াল নেই, একটু পরে ফোন দিচ্ছি বলে কেটে দেন। পরে আবারও যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT