জাতীয় শহীদ মিনারে একুশের প্রহরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার পর হাত তুলে সম্মিলিত দোয়া - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Casino Winbeast – ce qu’il faut savoir

জাতীয় শহীদ মিনারে একুশের প্রহরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার পর হাত তুলে সম্মিলিত দোয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৯ বার দেখা হয়েছে

মহান একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে জাতীয় শহীদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর এবার সম্মিলিতভাবে ভাষাশহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর এভাবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতার সঙ্গে দোয়া-মোনাজাত যুক্ত হওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ভাষাশহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে উপস্থিত রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা, মন্ত্রী-এমপি, দলীয় নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সম্মিলিতভাবে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া করেন।

রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় এই সংযোজনকে অনেকেই ইতিবাচক ও সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, ভাষা আন্দোলন ছিল জাতির আত্মপরিচয় ও মর্যাদার সংগ্রাম। সেই শহীদদের স্মরণে শুধু ফুলেল শ্রদ্ধা নয়, দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে আত্মার মাগফিরাত কামনা করা বাঙালি মুসলিম সমাজের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় চেতনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার দাবিতে জীবন উৎসর্গ করেন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা আরও অনেকে। তাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় ভাষার অধিকার, যা পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ রোপণ করে। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে একুশের প্রহরে শ্রদ্ধা ও দোয়া—দুইয়ের সমন্বয় জাতীয় চেতনায় নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মহল থেকে এ উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য, ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগ কেবল ঐতিহাসিক স্মৃতি নয়; তা জাতির নৈতিক শক্তির উৎস। তাই রাষ্ট্রীয় আয়োজনে তাদের জন্য সম্মিলিত দোয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আত্মিক দায়বদ্ধতার বার্তাও বহন করে।

জাতীয় শহীদ মিনারে প্রতি বছর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানান। তবে এবারের আয়োজনে দোয়া-মোনাজাতের সংযোজন একুশের চেতনাকে ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সমন্বিত করে স্মরণ করার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল—এমনটাই বলছেন অনেকে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT