বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
“ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার: দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত” -ড. মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন, এমবিই কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি নানিয়ারচর সেনাবাহিনীর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী উপহার হাউজ অব লর্ডসে মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা প্রদান, ইতিহাস সংরক্ষণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষায় জোর দাবি গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ; পাসের হার ৩০ শতাংশ কুবিতে ৭০টি আসন ফাঁকা, গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত ময়মনসিংহ মেডিকেলের ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২ খুলনায় ‘নিজের অস্ত্রের গুলিতে’ নিহত পুলিশ সদস্য কুড়িগ্রামে র‍্যাব-১৩ এর অভিযান; প্রায় ২ মণ গাঁজাসহ গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী অনুমতি জটিলতায় প্রীতি ম্যাচ স্থগিত, ক্ষোভ আবাসিক শিক্ষার্থীদের

বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬৪ বার দেখা হয়েছে

ঢাকায় অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায় বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীন প্রস্তাবিত নীলফামারীর এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছে এবং স্বাস্থ্য খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায় বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করে এবং স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল প্রকল্পে, যা উত্তর বাংলাদেশের বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে। হাসপাতালটি চালু হলে রোগীদের বিদেশ বা বড় শহরে যাওয়ার প্রয়োজন কমবে এবং আঞ্চলিক চিকিৎসা পর্যটনের সুযোগ তৈরি হবে।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারগুলোর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং প্রকল্পটি সময়মতো সম্পন্ন করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রকল্পের প্রধান তথ্য:

  • অবস্থান: নীলফামারী সদর উপজেলার চড়াইখোলা ইউনিয়নে, সৈয়দপুর–নীলফামারী সড়কের পাশে ২৫ একর জমিতে

  • শয্যা সংখ্যা: ১,০০০

  • প্রকল্প ব্যয়: ১,৪৮০ কোটি টাকা (পূর্ণ অনুদান)

  • সমাপ্তির লক্ষ্য: ২০২৮

  • উদ্দেশ্য: উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসা, স্থানীয় এবং পার্শ্ববর্তী জেলা রোগীদের সেবা, ঢাকা ও রংপুরের হাসপাতালগুলোর চাপ কমানো

বৈঠকে তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। রাষ্ট্রদূত ইয়াও প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের পরিকল্পনার কথা জানান এবং কারিগরি মূল্যায়ন দ্রুত সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সুষ্ঠু সম্পন্ন হওয়ার জন্য শুভকামনাও জানান।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT