কূটনৈতিক এলাকায় সহিংসতা: ভারতকে কড়া বার্তা বাংলাদেশের - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য

কূটনৈতিক এলাকায় সহিংসতা: ভারতকে কড়া বার্তা বাংলাদেশের

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৫ বার দেখা হয়েছে

ভারতের দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানাতে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাকে ডেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও হাইকমিশনারের বাসভবনের আশপাশে সংঘটিত সহিংস ও উসকানিমূলক ঘটনার বিষয়ে ভারত সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। বিশেষ করে শনিবার রাতে কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা বেষ্টনি ভেদ করে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ, হাইকমিশনারকে হুমকি এবং সোমবার শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা কেন্দ্রে উগ্রপন্থি গোষ্ঠীর ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কূটনৈতিক স্থাপনার আশপাশে এ ধরনের পরিকল্পিত সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক রীতি ও ভিয়েনা কনভেনশনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এসব কর্মকাণ্ড শুধু কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তাকেই ঝুঁকির মুখে ফেলছে না, বরং দুই দেশের পারস্পরিক সম্মান, শান্তি ও সহনশীলতার নীতিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশন, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন আর না ঘটে, সে বিষয়েও জোরালো পদক্ষেপ প্রত্যাশা করা হয়।

প্রসঙ্গত, এর আগেও গত ১৪ ডিসেম্বর ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করেছিল বাংলাদেশ। তখন জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক শহিদ শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীরা ভারতে পালিয়ে গেছে—এমন অভিযোগ তুলে তাদের গ্রেপ্তারে ভারতের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল।

এদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে হওয়া বিক্ষোভ ছিল একটি বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি এবং এতে নিরাপত্তা বেষ্টনি ভাঙা বা গুরুতর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা হয়নি। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এসব ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় বলে কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দুই দেশের সম্পর্কের বিদ্যমান উত্তেজনাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে এবং নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার রক্ষায় ভারতের ভূমিকা নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ নতুন করে সামনে এনেছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT