জুলাই আন্দোলনে বাধাপ্রদানের দায়ে শাস্তির আওতায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ অভিযুক্ত - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Pin Up Casino Onlayn Azərbaycan

জুলাই আন্দোলনে বাধাপ্রদানের দায়ে শাস্তির আওতায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ অভিযুক্ত

মাহমুদা নাঈমা, জাককানইবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২১৯ বার দেখা হয়েছে

গতবছর (২০২৪ সাল) সংঘটিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষার্থীদের হুমকি ও বাধাপ্রদান, একইসাথে প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ দীর্ঘ তদন্ত শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০তম সিন্ডিকেট সভায় শাস্তি নির্ধারণ করা হয়।যেখানে দুই শিক্ষক, এক কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত এবং ১৩ শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিস্কার ও সার্টিফিকেট বাতিলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

দেশব্যাপী সংঘটিত জুলাই আন্দোলনে, একাধিক একাডেমিক ও প্রশাসনিক দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামলে কয়েকজন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও ছাত্রসংগঠন নেতাদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বাধাগ্রস্ত করার ও হুমকি প্রদানের অভিযোগ ওঠে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে,শিক্ষার্থীদের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য এবছর ১৬ এপ্রিল বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাবিব-উল-মাওলাকে আহ্বায়ক এবং প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমানকে সদস্য সচিব করে একটি ১০ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

উক্ত তদন্ত কমিটি তিন মাস ধরে আন্দোলনে যুক্ত শিক্ষার্থী ও ক্ষতিগ্রস্তদের সাক্ষ্যগ্রহণ, ভিডিও ফুটেজ এবং নথি সংগ্রহের মাধ্যমে অনুসন্ধান চালায়।এভাবে দীর্ঘ তদন্তের পর তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের উল্লেখযোগ্য অংশ সত্য প্রমাণিত হলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, আচরণবিধি ও পূর্ববর্তী দৃষ্টান্ত বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পৃথক শাস্তির সুপারিশ করে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত ৯০তম সিন্ডিকেট সভায় এই সুপারিশসমূহ আলোচনা শেষে সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হয়। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শাস্তি প্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রক্টর সঞ্জয় কুমার মুখার্জি, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সাবেক পরিচালক ড. মো. মেহেদী উল্লাহ এবং সাবেক রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর। তাদেরকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আছেন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আল মাহমুদ কায়েস, সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদুল ইসলাম রিয়েল সহ থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের আনাস সরকার, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের জুবায়ের আহমেদ সাব্বির (অ্যালেক্স সাব্বির), সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. ইনজামামুল হাসান, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের কে এম রাজু, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মোছা. তৃণা মির্জা, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের রিয়াজ উদ্দিন, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের নাইম আহমেদ দুর্জয়, চারুকলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের হাসিব সিদ্দিকী ও তাসনীমুল মুবীন, পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মো. মোস্তাকিম মিয়া এবং দর্শন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মো. পারভেজ মাতুব্বর।

এযাবৎ পাওয়া তথ্যমতে,সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে এবং যারা অধ্যয়নরত নন, তাদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সনদ বাতিল করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT