
আজ শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত মাদরাসার বার্ষিক মাহফিল ও দস্তারবন্দী সম্মেলনের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খালিদ বলেন, আলেমদেরকে জনগণের সঙ্গে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। তাদের দেখভাল করতে হবে, খোঁজ-খবর নিতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিবর্তনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
ড. খালিদ আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “প্রত্যেকেরই দোষ আছে। নিজের দোষ নিজে না দেখলে অন্যের দোষ খুঁজে বেড়াই। কাউকে সম্মান করলে আমি সম্মান পাবো, কাউকে বেইজ্জতি করলে আল্লাহ আমাকে বেইজ্জত করবেন।” তিনি সকলের প্রতি বিনয়ী হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, জীবন সংক্ষিপ্ত, অর্থ ও ক্ষমতা স্থায়ী নয়। অতীতের শক্তিশালী অর্ডারের অধীনে যারা ফাঁসির মুখোমুখি হয়েছিল, আজ তাদের স্থানে অন্যরা দাঁড়াচ্ছে। এজন্য সবসময় আল্লাহকে স্মরণে রাখতে হবে।
উস্তাদের খেদমতের গুরুত্বও উল্লেখ করে ড. খালিদ বলেন, উলামায়ে কেরামের সংস্পর্শে জীবন আলোকিত হয় এবং উত্তম চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন করা যায়। তিনি আলেম-ওলামাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে এবং নেক দোয়া নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা মুফতি খলীল আহমদ কাসেমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলীপুরী, জামিয়ার শিক্ষা সচিব আল্লামা মুফতি কিফায়াতুল্লাহসহ বিশিষ্ট আলেম-ওলামাগণ।
উল্লেখ্য, এই দুইদিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল ও দস্তারবন্দী সম্মেলনে ১৪৪৫-৪৬ হিজরি শিক্ষাবর্ষে দাওরায়ে হাদিস উত্তীর্ণ প্রায় ৩ হাজার আলেমকে সম্মানসূচক পাগড়ি প্রদান করা হবে।