ইবিতে আবৃত্তির কলাকৌশল বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধের তদন্তে অনিয়মের অভিযোগ, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ দর্শনার্থীদের ঢল সেমিকন্ডাক্টর খাতে সুখবর, আসছে বিশেষ প্রণোদনা দক্ষিণ কোরিয়ার নজরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, বড় বিনিয়োগ সম্ভাবনা জলাবদ্ধ এলাকায় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: পলি নেট হাউসে বছরে ১০ লাখ পর্যন্ত মানসম্মত চারা উৎপাদন

ইবিতে আবৃত্তির কলাকৌশল বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৯ বার দেখা হয়েছে
Oplus_131072
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) “আবৃত্তি আবৃত্তি” সংগঠনের উদ্যোগে দিনব্যাপী আবৃত্তির কলাকৌশল ও সাংগঠনিক দক্ষতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে  বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র- নজরুল কলা ভবনের গগণ হরকরা গ্যালারীতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আবৃত্তি পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক খান মাজহারুল ইসলাম লিপু।
প্রধান আলোচক খান মাজহারুল ইসলাম লিপু বলেন, আবৃত্তি একটা আলাদা শিল্প। আবৃত্তির মূল কাজ হচ্ছে যে কোন একটা কাজকে অন্যের কাছে নান্দনিকভাবে তুলে ধরা। এটা এমন শিল্প যা মানুষের মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। আবৃত্তি হচ্ছে যে কোন একটি লিখিত বোধকে অন্যের সামনে নান্দনিকভাবে কণ্ঠের মাধ্যমে তুলে ধরা। আবৃত্তি বলতে শুধু কবিতা নয় নাটক, প্রবন্ধ, পত্র সাহিত্য ইত্যাদি আবৃত্তির অন্তর্ভুক্ত।
আবৃত্তি করার জন্য সর্বপ্রথম নির্বাচন, বারবার পড়া, সারমর্ম বুঝা, প্রতিটা লাইনের মর্মোদ্ধার করা, প্রতিটা শব্দের মর্মোদ্ধার, প্রতিটা অক্ষরের সঠিক উচ্চারণ নিশ্চিত করতে হবে। কবিতার বোধ অনুযায়ী উপস্থাপন করে দেখতে হবে কোনটি অন্যদের জন্য সহজতর হয়। নিজের মনের মাধুরি মিশিয়ে নিজের মতো তুলে ধরতে হবে। পরের শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
নওশিন পর্ণিনী সুস্মা বলেন, আবৃত্তি শুধু শব্দ উচ্চারণের শিল্প নয়, এটি অনুভূতি, অভিব্যক্তি এবং মানবিক সত্তার এক গভীরতম প্রকাশ। একটি কবিতা যখন কাগজ থেকে কণ্ঠে উঠে আসে, তখন তা আর কেবল কবির হয় না,তা হয়ে ওঠে আমাদের সবার, আমাদের হৃদয়ের। আবৃত্তি আমাদের শোনায় শব্দের সুর, ভাষার সৌন্দর্য আর অনুভবের উষ্ণতা।একটি সঠিক বিরতি, একটি নিখুঁত টান, আর একটি শ্বাস এগুলো মিলেই একটি সাধারণ কবিতাকে অসাধারণ হয়ে ওঠার শক্তি দেয়। আমরা যখন আবৃত্তি করি, তখন শুধু কণ্ঠ নয়, মন, দেহ, অভ্যাস সবকিছু মিলেই একটি পূর্ণতা তৈরি হয়।
তাই আজকের কর্মশালায় আমরা শেখার চেষ্টা করেছি কীভাবে কবিতকে আত্মস্থ করতে হয়,কীভাবে শব্দকে প্রাণ দিতে হয়,
এবং কীভাবে নিজের অভিজ্ঞতা, আবেগ ও কণ্ঠস্বরের ভিন্নতা দিয়ে একটি লেখাকে নতুন করে জন্ম দেওয়া যায়। আবৃত্তি মানুষকে সংযুক্ত করে, সংবেদনশীল করে মানুষের কাছে মানুষের গল্প পৌঁছে দেয়। আমি বিশ্বাস করি, আজকের এই আয়োজন আমাদের প্রত্যেককে নিজের ভেতরের শিল্পীকে খুঁজে পেতে আরও একধাপ এগিয়ে দেবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT