নোটিশ:
শিরোনামঃ
নগরের নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা জনস্বাস্থ্যনীতিরও অংশ ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ধোঁয়াশা, সাত প্রদেশে শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত তিন লাখের বেশি নেপালের বন্যা পুনর্গঠনে জাতিসংঘ তহবিলের ২ কোটি ডলারের প্রাথমিক বরাদ্দ হরমুজ প্রণালিতে অক্টোবরে জাহাজে হামলার রেকর্ড, বাড়ছে নৌবাণিজ্যের ঝুঁকি ইউরোপের গ্রীষ্মের তাপে ৫০ হাজারের বেশি মৃত্যুর হিসাব, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ব্যাডমিন্টন উন্নয়নে পাঁচ বছরের পরিকল্পনা, দেশে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের লক্ষ্য সুন্দরবনের প্রতিবেশে শিল্পকারখানার বায়ুদূষণ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ বাংলাদেশে ৬৩৬ কোটি ডলারের জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনার খবর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ ডেঙ্গুতে আরও তিন মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ১২৯৯ রোগী

নড়াইলে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই

নড়াইল প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩০৪ বার দেখা হয়েছে
নড়াইলে ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে উপজেলার রঘুনাথপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে নবীন যুব সংঘের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

ষাঁড়ের লড়াই অনুষ্ঠান ঘিরে সকাল থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। দুপুর গড়াতেই রঘুনাথপুর বিদ্যালয়ের মাঠের চারপাশে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। কেউ স্কুলের বারান্দায়, কেউ বাড়ির ছাদে, আবার কেউ গাছে উঠে উপভোগ করেন এ লড়াই। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্করাও লড়াই দেখতে ভিড় জমান।

প্রতিযোগিতায় আড়পাড়া, যাদবপুর, শোলপুর, মির্জাপর, পেড়লীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৩০টি ষাঁড় অংশ নেয়।

মির্জাপুর থেকে আসা সুবুদ্ধি বিশ্বাস বলেন, ‘আমিসহ আমাদের গ্রাম থেকে নসিমন যোগে ১৫ জন এক সঙ্গে ষাঁড়ের লড়াই দেখেছি। ষাঁড়ের লড়াই দেখার আনন্দেই আলাদা। যদি বৃষ্টি না হতো তাহলে এখানে আসা মানুষ আরও সুন্দরভাবে এ প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে পারত।’

আয়োজকদের মতে, গ্রামবাংলার মানুষের বিনোদনের পাশাপাশি সামাজিক ঐক্যের প্রতীক এই ষাঁড়ের লড়াই। আমাদের সকলের পুরোনো এই ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা উচিত, যাতে করে আগামী প্রজন্ম কাছে এটি জীবন্ত থাকে। ষাঁড়ের লড়াই শুধু একটি সাধারণ খেলা নয়, এটি বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে গ্রামীণ সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব, যা আগামী প্রজন্মের কাছে আমাদের ঐতিহ্যকে জীবন্ত রাখবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT