বাংলাদেশকে দুই কিস্তিতে ১৩০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে আইএমএফ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
রাবেয়া পরিবহনের শ্রমিকদের বর্বরোচিত হামলা; রক্তাক্ত দৈনিক রাজবাড়ী কন্ঠের অফিস সহায়ক দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’

বাংলাদেশকে দুই কিস্তিতে ১৩০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে আইএমএফ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০২৫
  • ৩২১ বার দেখা হয়েছে

২৪ জুন ২০২৫

বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির ঋণ একসঙ্গে ছাড়ের অনুমোদন দিয়েছে। দুই কিস্তিতে বাংলাদেশ পেতে যাচ্ছে ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার।

ওয়াশিংটনে আইএমএফ সদর দপ্তরে সোমবার (২৩ জুন) অনুষ্ঠিত নির্বাহী বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি জুন মাসের মধ্যেই এই অর্থ দেশের হাতে আসবে।

২০২২ সালে দীর্ঘ আলোচনা শেষে বাংলাদেশ আইএমএফের সঙ্গে মোট ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি করে। এর আওতায় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ঋণ কার্যক্রম শুরু হয়। একই বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম কিস্তি হিসেবে ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার এবং ডিসেম্বরে দ্বিতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলার পায় বাংলাদেশ।

এরপর ২০২৪ সালের জুনে তৃতীয় কিস্তি হিসেবে আসে আরও ১১৫ কোটি ডলার। এই তিন কিস্তিতে মোট পাওয়া যায় ২৩১ কোটি ডলার।

তবে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে চতুর্থ কিস্তি ছাড় হওয়ার কথা থাকলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ না হওয়ায় তা আটকে দেয় আইএমএফ। এসব শর্তের মধ্যে ছিল বাজারভিত্তিক মুদ্রা বিনিময় হার চালু, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং রাজস্ব আয় বাড়ানো।

এ পরিস্থিতিতে আইএমএফ একাধিকবার বোর্ড সভার সময়সূচি দিলেও সেখানে বাংলাদেশের ঋণ বিষয়টি আলোচনায় ওঠেনি।

২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসে শর্তপূরণের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে। এরপর মে মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও আইএমএফের মধ্যে একাধিক ভার্চুয়াল বৈঠকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক অবশেষে বিনিময় হার বাজারনির্ভর করতে সম্মত হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে আইএমএফ ঋণ ছাড়ে আগ্রহ দেখায়।

১৪ মে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানান, দুই কিস্তি ঋণ ছাড়ে আইএমএফ সম্মত হয়েছে। আইএমএফও এক বিবৃতিতে জানায়, চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি জুনে ছাড় করা হবে।

অবশেষে এক মাসেরও বেশি সময় পর বোর্ড সভায় এই অনুমোদন পেল বাংলাদেশ। আইএমএফ বলেছে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশ ঋণ কর্মসূচির বাস্তবায়নে সন্তোষজনক অগ্রগতি দেখিয়েছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT