রাবিতে প্রতিটি ভবনে মেয়েদের নামাজের স্থানসহ ৫ দফা দাবিতে মৌন মিছিল - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:

রাবিতে প্রতিটি ভবনে মেয়েদের নামাজের স্থানসহ ৫ দফা দাবিতে মৌন মিছিল

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৯৯ বার দেখা হয়েছে
রাবিতে মৌন মিছিল
মৌন মিছিল করছেন রাবির নারী শিক্ষার্থীরা ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা ৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মৌন মিছিল করেছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রতিটি ভবনে মেয়েদের নামাজের স্থান নিশ্চিত করা, ভর্তি পরীক্ষায় কান দৃশ্যমান না থাকলে আবেদন ফরম প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত বাতিল, পরীক্ষা এবং ভাইভা বোর্ডে নিকাব খোলার বাধ্যবাধকতা বন্ধ করা এবং পর্দা নিয়ে কটাক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় তাপসী রাবেয়া হল গেইট থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি প্রশাসনিক ভবনে এসে শেষ হয়। পরে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

দাবিগুলোর বিবরণ

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন,

  • কান দৃশ্যমান না হলে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফরম বাতিলের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
  • পরীক্ষার হলে বা ভাইভা বোর্ডে নিকাব খুলতে বাধ্য করা যাবে না।
  • পরিচয় শনাক্তে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু না হওয়া পর্যন্ত মহিলা কর্মচারীর মাধ্যমে পর্দাশীল শিক্ষার্থীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।
  • প্রতিটি ভবনে মেয়েদের নামাজরুম এবং ক্যাফেটেরিয়াতে আলাদা কর্নার স্থাপন করতে হবে।
  • সকল ডিপার্টমেন্টে পর্দাশীল শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধে দ্রুত নির্দেশনা দিতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিতে হিজাব-নিকাব পরিধানের স্বাধীনতা সংরক্ষণের ধারা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের মতামত

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, পরীক্ষার হলে মহিলা কর্মচারী দ্বারা সার্চের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে কান খোলার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জন্য আলাদা রুমের ব্যবস্থা করা হোক যেখানে মুখ খুলে পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব। আমরা পুরুষ শিক্ষকদের সামনে হিজাব খুলতে চাই না।’

অন্য একজন শিক্ষার্থী বলেন, ‘পোশাক আমাদের ব্যক্তিগত বিষয়। আমাদের ইচ্ছামতো পোশাক পরার স্বাধীনতা থাকা উচিত।’ তিনি দাবি করেন, অনেক সময় বোরকা পরার জন্য কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ধর্ম পালন করা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। হিজাব পরা মুসলিম হিসেবে আমাদের অধিকার। তথ্য প্রযুক্তির যুগে এসব সমস্যার সহজ সমাধান সম্ভব। তাহলে কেন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হচ্ছে?’

প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আমরা এটি নিয়ে আলোচনা করব।’

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT