নোটিশ:
শিরোনামঃ
নানিয়ারচরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ দিল সেনাবাহিনী জ্বালানি স্থাপনায় যুদ্ধবিরতির দাবি ট্রাম্পের, হামলা অব্যাহত থাকার কথা কিয়েভের জ্বালানি মূল্য ও ঋণের চাপ সামনে রেখে ব্যাংককে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বৈঠক দেশে চিকিৎসার মান বাড়লে বিদেশমুখিতা কমবে: রাষ্ট্রপতি মেয়েশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের অঙ্গীকার সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যয় নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর আইটি, সার ও জ্বালানি খাতে জাপানের মারুবেনিকে বিনিয়োগের আহ্বান সমুদ্র, নদী ও স্থলবন্দরের সমন্বয়ে জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়ন হচ্ছে রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, নিন্দা ঢাকার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আঞ্চলিক কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদারের কথা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লক্ষ্য অনুযায়ী ৪০ কোটি বইয়ের মধ্যে এখনো ৩০ কোটি বই ছাপা বাকি

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩৭৮ বার দেখা হয়েছে
৩০ কোটি বই ছাপা বাকি,নতুন শিক্ষাবর্ষের বই, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থী, পাঠ্যবই সংকট, বই ছাপার দেরি, কাগজ সংকট, এনসিটিবি, শিক্ষাক্রম পরিবর্তন, মুদ্রণ কার্যক্রম, শিক্ষাবর্ষ, বই বিতরণ, বই উৎসব বাতিল, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা শিক্ষা, শিক্ষার্থীদের ক্ষতি, ওয়ার্ক অর্ডার জটিলতা, কাগজের উচ্চমূল্য, সরকারী হস্তক্ষেপ
ফাইল ফটো

প্রায় সাড়ে ৪ কোটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থী নতুন বইয়ের গন্ধ ও পাঠদান শুরু হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। কিন্তু এখনো অধিকাংশ বই ছাপার কাজ শেষ হয়নি। এ বছর স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ৪০ কোটি বই ছাপানোর পরিকল্পনা থাকলেও মাত্র ১০ কোটি বই ছাপানো সম্পন্ন হয়েছে, ফলে এখনো ৩০ কোটি বই  ছাপা বাকি। এ কারণে বছরের শুরুতে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বই হাতে পাবে না। খরচ কমাতে অন্তর্বর্তী সরকার এবার বই উৎসব না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

মুদ্রণ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাধারণত এই সময়ে নতুন শিক্ষাবর্ষের বই ছাপানো শেষ হয়ে যায়। কিন্তু এবার অনেক শ্রেণির বইয়ের মুদ্রণ কার্যক্রমই শুরু হয়নি। বাজারে কাগজের সরবরাহ পর্যাপ্ত না থাকায় এই দেরি হচ্ছে, যা কাগজ ব্যবসায়ীদের তৈরি করা কৃত্রিম সংকট। বছরের শুরুতে কিছু বই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানো সম্ভব হলেও বাকি বই শেষ করতে মার্চ পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে, যা বইয়ের সময়মতো বিতরণ নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বলেছেন, এনসিটিবির সদস্যদের দায়িত্বহীনতার কারণে শিক্ষার্থীরা বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। যত দেরি হবে, ক্ষতির পরিমাণ তত বাড়বে। শিক্ষাক্রম এবং পাঠ্যবই পরিকল্পনার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতার কারণে এ বিলম্ব হয়েছে। শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ করতে না পারলে ক্ষতির মাত্রা আরও বাড়তে পারে।

সূত্রের মতে, শিক্ষাবর্ষের বই ছাপানোর কার্যক্রম জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের কারণে প্রায় তিন মাস পিছিয়ে যায়। শিক্ষাক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন আনার পরও অনেক শ্রেণির বই এখনো ছাপার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বই ছাপাতে এ বছরের ডিসেম্বর শেষ হয়ে গেলেও কাজ সম্পন্ন হচ্ছে না।

বাংলাদেশ মুদ্রণ সমিতির সাবেক সভাপতি তোফায়েল খান বলেছেন, নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপার চুক্তি এখনো শেষ হয়নি। কাগজের উচ্চমূল্য এবং ওয়ার্ক অর্ডার নিয়ে জটিলতাও দেরির প্রধান কারণ। এ অবস্থায় দ্রুত মুদ্রণ কার্যক্রম শেষ করতে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT