যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় ১০ বছরে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব: ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা কুবিতে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন ‘পাটাতন’-এর প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা খালেদা জিয়ার মৃত্যু কি ‘স্লো পয়জনিং’? বিস্ফোরক অভিযোগ জানালেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের প্রধান অধ্যাপক মালদ্বীপে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সুরক্ষা ও অধিকার নিয়ে হাইকমিশন–ইমিগ্রেশনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় ১০ বছরে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব: ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন, ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ সমাজের গুণী ব্যক্তি, দেশের সম্পদ: বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী কুবিতে আদিবাসী ছাত্র সংসদের নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হাদি হত্যার বিচার দাবিতে কুবিতে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিল স্কটল্যান্ড অনারারি কনসাল জেনারেল ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিই’র সম্মানে এমজেএম গ্রুপের বিশাল সংবর্ধনা ইট–কংক্রিটের ভিড়ে বার্ডের ফুলবাগান: নীরব সৌন্দর্যে প্রাণের আশ্রয়

যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় ১০ বছরে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব: ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

যাকাতের সঠিক আহরণ ও সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিত করা গেলে আগামী ১০ বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ থেকে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে শনিবার (তারিখ) বিকেলে আয়োজিত ‘যাকাত কনফারেন্স ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান মাস্তুল ফাউন্ডেশন কনফারেন্সটির আয়োজন করে।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, দেশে যারা বিত্তবান আছেন, তারা যদি শরিয়াহসম্মত নিয়মে যাকাত প্রদান করেন এবং তা সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করা যায়, তাহলে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব। তিনি বলেন, যাকাতের কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দারিদ্র্য কমানোর পাশাপাশি বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতার হীন প্রবণতাও বন্ধ করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, দারিদ্র্য যেকোনো জাতির জন্য অভিশাপ। একটি রাষ্ট্রের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে সেখানে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। কিন্তু দারিদ্র্য রাষ্ট্রকে গ্রাস করলে সে রাষ্ট্র মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় যাকাত আহরণ ও বিতরণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে ড. খালিদ হোসেন বলেন, ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকে কয়েকশ বছর পর্যন্ত যাকাত রাষ্ট্রীয়ভাবে সংগ্রহ ও বিতরণ করা হতো। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ফলে হযরত ওমর (রা.)-এর খেলাফতের সময় মিশরসহ বিভিন্ন প্রদেশে যাকাত গ্রহণ করার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যেত না।

তিনি বলেন, দেশে শরিয়াহ আইন প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কার্যকর না থাকায় যাকাত আহরণ ও বিতরণ একটি সংগঠিত কাঠামোর মধ্যে আসেনি। ফলে কেউ ইচ্ছা করলে যাকাত দেন, আবার কেউ না দিলেও তাতে জবাবদিহি নেই। তিনি সবাইকে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী যাকাত আদায়ের আহ্বান জানান।

যাকাত সংগ্রহ, বিতরণ ও মানবিক কার্যক্রমে ভূমিকার জন্য ধর্ম উপদেষ্টা মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান।

কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান এবং মুফতি জুবায়ের আবদুল্লাহ।

আলেম-ওলামা, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ কনফারেন্সে অংশ নেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT