গাজায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশের হয়ে কাজ করা ফিলিস্তিনি দুই স্বেচ্ছাসেবী - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
আত্রাইয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের দুই পা বিচ্ছিন্ন কুড়িগ্রামে প্রশ্নফাঁসের অভিযুক্তদের পুনর্বহাল চেষ্টায় উত্তেজনা, মানববন্ধনে অপসারণের দাবি সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী ও কৃতি শিক্ষার্থী সম্মাননা অনু‌ষ্ঠিত সবুজ ক্যাম্পাস গড়তে কুবির বিজয়-২৪ হলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুবিতে ছাত্রদল নেতা ও কর্মীর একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন দুই প্রতিমন্ত্রী বুটেক্সে টেক্সটাইল ট্যালেন্ট হান্ট দশম আসরের ক্যাম্পাস ডে আয়োজিত বালিয়াকান্দিতে মানবাধিকার সংগঠনের নামে প্রতারণা ॥ ৩জনকে পুলিশে দিয়েছে জনতা রাজবাড়ীতে রিকশার চাকায় গলার ওড়না পেঁচিয়ে সাংবাদিকের মায়ের মৃত্য বালিয়াকান্দিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণের ঘর ভেঙে পড়ে কিশোরীর মর্মান্তিক মৃত্যু

গাজায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশের হয়ে কাজ করা ফিলিস্তিনি দুই স্বেচ্ছাসেবী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৫২ বার দেখা হয়েছে

ফিলিস্তিনের গাজা অঞ্চলে চলমান সহিংসতায় এবার প্রাণ হারালেন বাংলাদেশের মানবিক সহায়তামূলক প্রতিষ্ঠান মাস্তুল ফাউন্ডেশনের হয়ে কাজ করা দুই ফিলিস্তিনি স্বেচ্ছাসেবী। ইসরায়েলি বাহিনীর সর্বশেষ হামলায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ফাউন্ডেশনটির নির্বাহী পরিচালক কাজী রিয়াজ রহমান।

নিহতদের একজনের নাম আবু ওমর, যিনি গাজার উত্তরের বেইত লাহিয়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। দুজনই মাস্তুল ফাউন্ডেশনের রান্নার টিমে যুক্ত ছিলেন এবং রমজান উপলক্ষে প্রতিদিন গাজাবাসীর মাঝে রান্না করা খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণে নিয়োজিত ছিলেন।

কাজী রিয়াজ রহমান জানান, মিশর সরকারের অনুমোদন ও সহযোগিতায় গত দেড় বছর ধরে তারা নিয়মিতভাবে গাজায় ত্রাণ পাঠিয়ে আসছেন। খাবার, পানি, ওষুধসহ নানান সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের কাছে। “আমরা গরম খাবার রান্না করে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে তা বিতরণ করছি। কয়েকদিন ধরে দুজন স্বেচ্ছাসেবকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। আজ খবর এলো—তারা ইসরায়েলি বোমা হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। এটা আমাদের জন্য গভীর বেদনার, একই সঙ্গে মানবতার জন্য বড় ক্ষতি,” বলেন তিনি।

গাজায় চলমান সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৩২ হাজার ছাড়িয়েছে, যার অন্তত ৭০ শতাংশই নারী ও শিশু। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এসব হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যা দিলেও এখনও দৃশ্যমান কোনো আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেই।

চলমান সংকটে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের মতো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো গাজার মানুষের জীবনের শেষ ভরসা হয়ে উঠেছে। কাজী রিয়াজ রহমান জানান, “আমরা থেমে যাব না। আমাদের স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ত বৃথা যাবে না। গাজার মানুষের পাশে থেকে আমরা কাজ চালিয়ে যাব”

 

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT