ধ্বংস করা হলো ৪৫ হাজার আকাশমনি ও ইউক্যালিপটাস গাছের চারা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ইরান যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার কমেছে, ভবিষ্যৎ সংঘাতে ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার: দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি নানিয়ারচর সেনাবাহিনীর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী উপহার হাউজ অব লর্ডসে মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা প্রদান, ইতিহাস সংরক্ষণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষায় জোর দাবি গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ; পাসের হার ৩০ শতাংশ কুবিতে ৭০টি আসন ফাঁকা, গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত ময়মনসিংহ মেডিকেলের ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২ খুলনায় ‘নিজের অস্ত্রের গুলিতে’ নিহত পুলিশ সদস্য কুড়িগ্রামে র‍্যাব-১৩ এর অভিযান; প্রায় ২ মণ গাঁজাসহ গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী

ধ্বংস করা হলো ৪৫ হাজার আকাশমনি ও ইউক্যালিপটাস গাছের চারা

ইসতিয়াক আহমেদ নাবীল (শেরপুর প্রতিনিধি)
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৩১১ বার দেখা হয়েছে

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত আকাশমনি ও ইউক্যালিপটাস গাছের ৪৫ হাজার চারা ধ্বংস করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাত থেকে নার্সারি মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান কার্যক্রমের আওতায় এই চারাগুলো ধ্বংস করা হয়।

২ জুলাই (বুধবার) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি খাইরুল ইসলাম খান, সহ-সভাপতি মো. ফজলুল হক, কৃষি অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও এলাকার নার্সারি মালিকগণ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ও পানিশোষক গাছ হিসেবে পরিচিত। তাই সরকারিভাবে এসব চারা রোপণে দীর্ঘদিন ধরেই নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ঝিনাইগাতী উপজেলার ২৯টি নার্সারি থেকে সংগৃহীত ১ লাখ ২৭ হাজার চারা নিধনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হয়। পরে অনুমোদনপ্রাপ্ত ৪৫ হাজার চারা ধ্বংস করা হয়, যার প্রতিটির জন্য ৪ টাকা হারে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।

নার্সারি মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মো. ফজলুল হক বলেন, “সরকারের নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা ভবিষ্যতে এই ধরনের পরিবেশ-অসন্তুলন সৃষ্টি করে এমন গাছের চারা উৎপাদন ও বিক্রি থেকে বিরত থাকবো।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন সবাইকে আহ্বান জানান, যেসব স্থানে এখনও এ ধরনের চারা রয়েছে, তা স্ব স্ব উদ্যোগে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। অন্যথায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT