নোটিশ:
শিরোনামঃ
বৈশ্বিক মজুত কমায় তেলের দামের পূর্বাভাস আবার বাড়াল যুক্তরাষ্ট্রের ইআইএ ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদায় ৩.৬ গিগাওয়াটের চুক্তি গুগলের দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ৬.৯% হতে পারে, জ্বালানি ও আবহাওয়ায় ঝুঁকি: বিশ্বব্যাংক ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় ভ্যাকসিন ট্রায়াল বিবেচনায় বাংলাদেশ রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট-পিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্যোগ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী রেমিট্যান্স ও রিজার্ভে স্বস্তি, তবে সংস্কার জরুরি: বিশ্বব্যাংক ট্যানারি বর্জ্য থেকে বছরে ১০ কোটি ডলারের আমদানি বিকল্প তৈরির সম্ভাবনা বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীর করতে সিইপিএ প্রস্তাব কুবি শিক্ষার্থীকে ছিনতাইয়ের অভিযোগ, ১০ লাখ টাকা দাবির ঘটনায় তদন্তে পুলিশ

সাকিবের বিতর্কিত রাজনৈতিক পদক্ষেপ বিশ্বাসঘাতকতা ও ভুল সিদ্ধান্ত: প্রেস সচিব

অনলাইন ডেস্ক।
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৭৮ বার দেখা হয়েছে
সংগ্রহীত

ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের আওয়ামী লীগে যোগদানের সিদ্ধান্তকে ‘শুধু ভুল নয়, বরং বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, এটি ছিল একটি নৈতিক ব্যর্থতা ও জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ।

একটি ফেসবুক পোস্টে (১৬ এপ্রিল) শফিকুল আলম লেখেন, লিংক https://www.facebook.com/share/p/1ERyw798nG/ একজন নাগরিক হিসেবে সাকিবের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে, তিনি কার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ যখন মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং পদ্ধতিগত দুর্নীতির মতো গুরুতর অভিযোগের মুখোমুখি, তখন সেই দলে যোগদান নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

তিনি বলেন, এটি শুধু রাজনৈতিক অবস্থান নেওয়া নয়, বরং একটি আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচিত সরকারের প্রতি মৌন সমর্থন প্রকাশ। সাকিব তার সিদ্ধান্তের পরও কোনো পেশাদার জনসংযোগ কৌশল গ্রহণ করেননি, যা একজন আন্তর্জাতিক তারকার কাছ থেকে প্রত্যাশিত। তিনি বিশ্বমানের স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা নিতে পারতেন, যা তাকে এমন সিদ্ধান্ত থেকে বিরত রাখতে পারত।

শফিকুল আরও উল্লেখ করেন, সাকিবের নীরবতাই সবচেয়ে বেশি হতাশাজনক—বিশেষত মাগুরায় বিরোধী দলের কর্মীদের গুলি করে হত্যার ঘটনার পর। তিনি বলেন, কোনো বক্তব্য, নিন্দা বা দুঃখ প্রকাশ না করায় সাকিব ‘নৈতিক বধিরতা’র পরিচয় দিয়েছেন।

তিনি লিখেছেন, জাতীয় দলের হয়ে দুর্দান্ত খেলাই কাউকে দায়মুক্তি দেয় না। বরং বিতর্কিত ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়িয়ে সাকিব দেশের ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায়কে বৈধতা দিয়েছেন। তার সিদ্ধান্তের মূল কারণ হতে পারে লোভ, জনসেবার ইচ্ছা নয়।

শেষে শফিকুল আলম বলেন, “একদিন সাকিব হয়তো ফিরে আসবেন এবং উপলব্ধি করবেন যে, তার সিদ্ধান্ত শুধু ভুলই ছিল না, ছিল বিশ্বাসঘাতকতাও।”

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT