দেশে ফেরার পর অভিজ্ঞতা জানালেন শহিদুল আলম - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
How Bonuses and Promotions Foster Loyalty বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হলো আইটিইটি-বুটেক্স ক্যারিয়ার ফেয়ার ২০২৬ আর্থ ডে’তে বুটেক্সে ‘প্লাস্টিক এক্সচেঞ্জ’: প্লাস্টিকের বদলে মিলছে বীজযুক্ত কলম নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ‘নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত ধর্ম নয়, নিরাপত্তাই অগ্রাধিকার—বৌদ্ধ পূর্ণিমায় প্রধানমন্ত্রীর বড় বার্তা ইবির লালন শাহ হলে আবেগঘন বিদায়, শিক্ষার্থীদের চোখে জল! কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ইরান যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার কমেছে, ভবিষ্যৎ সংঘাতে ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার: দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত

দেশে ফেরার পর অভিজ্ঞতা জানালেন শহিদুল আলম

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৯৫ বার দেখা হয়েছে

তুরস্কের ইস্তাম্বুল থেকে ঢাকায় পৌঁছে সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, ইসরাইলি সেনাদের আচরণ ও কারাগারের কঠিন সময়ের কথা প্রকাশ

ইসরাইলের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরেছেন আলোকচিত্রী, মানবাধিকারকর্মী ও ‘দৃক’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম। শনিবার ভোরে তিনি তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুল থেকে ঢাকায় পৌঁছান। দেশে ফেরার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার সময় শহিদুল আলম জানান, সবচেয়ে অপমানজনক মুহূর্ত ছিল যখন বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেখার পর ইসরাইলি সেনারা ক্ষিপ্ত হয়ে তা মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে। তিনি বলেন, “এই অপমানের বিচার আদায় করতে হবে।”

গত বুধবার গাজাগামী নৌবহর ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা’ দখল করে ইসরাইলি বাহিনী। ওই বহরের ‘কনশানস’ নামের জাহাজে শহিদুল আলমসহ বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকরা ছিলেন। ইসরাইলি সেনারা তাদের আটক করে কারাগারে নিয়ে যায়। শহিদুল আলম জানান, বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেখার পর সেনারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে, যা তার কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক ছিল। তিনি বলেন, “একটি দেশের পাসপোর্ট এভাবে অপমান করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ন্যায়বিচার আমাদের আদায় করতে হবে।”

ইসরাইলের কারাগারে কঠিন সময় পার করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে শহিদুল আলম জানান, “আমাদের উপর নির্যাতন হয়েছে, কঠিন সময় কেটেছে। তবে গাজার মানুষ যে অবস্থায় আছে, তার তুলনায় আমাদের কষ্ট কিছুই না। গাজাবাসী যতক্ষণ মুক্ত না হয়, আমাদের কাজ শেষ হয়নি।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমাদের মতো আরও হাজার ফ্লোটিলা পাঠাতে হবে যতদিন না ফিলিস্তিন স্বাধীন হয়। “আমাদের আসল সংগ্রাম এখনো বাকি আছে,” বলেন শহিদুল আলম। তিনি বাংলাদেশ সরকারের, তুরস্ক সরকারের এবং মুক্তির জন্য যারা চেষ্টা করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানান। শহিদুল আলম বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা আমাকে ফিরে আসার সুযোগ করে দিয়েছে।”

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT