নোটিশ:
শিরোনামঃ
এনআইডি সংশোধনকে ভোগান্তিমুক্ত করতে চাই সময়সীমা ও জবাবদিহি ইউক্রেন–রাশিয়া শান্তি আলোচনা ফের শুরুর ইঙ্গিত, বড় বাধা ভূখণ্ড ও নিরাপত্তা চীন সফরে কিম জং উন, চালু হলো নতুন ইয়ালু নদী সেতু জাতিসংঘ সংস্কার ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত কুয়াকাটায় পর্যটক নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় পরিকল্পিত উন্নয়নের তাগিদ বিদ্যুৎ স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ উন্নয়ন সহযোগিতা নিয়ে আলোচনায় ঢাকা সফরে আসছেন জার্মানির উপমন্ত্রী রেশমশিল্পে যান্ত্রিকীকরণ ও প্রান্তিক তাঁতিদের কাঁচামাল সহজলভ্য করার সুপারিশ বাংলাদেশি চোখের রোগীদের জন্য চীনের কুনমিংয়ে বিশেষ সেবা চালু জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি: ইসি

দেশে ফেরার পর অভিজ্ঞতা জানালেন শহিদুল আলম

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৫০ বার দেখা হয়েছে
Shahidul Alam in Bangladesh

তুরস্কের ইস্তাম্বুল থেকে ঢাকায় পৌঁছে সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, ইসরাইলি সেনাদের আচরণ ও কারাগারের কঠিন সময়ের কথা প্রকাশ

ইসরাইলের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরেছেন আলোকচিত্রী, মানবাধিকারকর্মী ও ‘দৃক’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম। শনিবার ভোরে তিনি তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুল থেকে ঢাকায় পৌঁছান। দেশে ফেরার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার সময় শহিদুল আলম জানান, সবচেয়ে অপমানজনক মুহূর্ত ছিল যখন বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেখার পর ইসরাইলি সেনারা ক্ষিপ্ত হয়ে তা মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে। তিনি বলেন, “এই অপমানের বিচার আদায় করতে হবে।”

গত বুধবার গাজাগামী নৌবহর ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা’ দখল করে ইসরাইলি বাহিনী। ওই বহরের ‘কনশানস’ নামের জাহাজে শহিদুল আলমসহ বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকরা ছিলেন। ইসরাইলি সেনারা তাদের আটক করে কারাগারে নিয়ে যায়। শহিদুল আলম জানান, বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেখার পর সেনারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে, যা তার কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক ছিল। তিনি বলেন, “একটি দেশের পাসপোর্ট এভাবে অপমান করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ন্যায়বিচার আমাদের আদায় করতে হবে।”

ইসরাইলের কারাগারে কঠিন সময় পার করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে শহিদুল আলম জানান, “আমাদের উপর নির্যাতন হয়েছে, কঠিন সময় কেটেছে। তবে গাজার মানুষ যে অবস্থায় আছে, তার তুলনায় আমাদের কষ্ট কিছুই না। গাজাবাসী যতক্ষণ মুক্ত না হয়, আমাদের কাজ শেষ হয়নি।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমাদের মতো আরও হাজার ফ্লোটিলা পাঠাতে হবে যতদিন না ফিলিস্তিন স্বাধীন হয়। “আমাদের আসল সংগ্রাম এখনো বাকি আছে,” বলেন শহিদুল আলম। তিনি বাংলাদেশ সরকারের, তুরস্ক সরকারের এবং মুক্তির জন্য যারা চেষ্টা করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানান। শহিদুল আলম বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা আমাকে ফিরে আসার সুযোগ করে দিয়েছে।”

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT