আবদুল বারিক বলেন, রাকসু কেবল একটি সংগঠন নয়, এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার, মর্যাদা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্ল্যাটফর্ম। দীর্ঘদিন ধরে রাকসু নিষ্ক্রিয় থাকায় শিক্ষার্থীদের নানাবিধ সমস্যা সমাধান হচ্ছে না। আবাসন সংকট, লাইব্রেরির সীমিত সুবিধা, ক্যাম্পাসের অবকাঠামোগত দুরবস্থা, নিরাপত্তাজনিত সমস্যা ও খাবারের মান, এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বক্তব্য গুরুত্ব পাচ্ছে না। রাকসু সচল হলে ছাত্র প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এসব সমস্যা প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হবে এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, রাকসু যেন কোনো রাজনৈতিক শক্তির প্রভাবিত না হয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটায়। রাকসু শুধুমাত্র কিছু নেতা নির্বাচনের আয়োজন না হয়ে, প্রকৃত অর্থে একটি গণমুখী ও জবাবদিহিমূলক সংগঠন হিসেবে কাজ করবে এটাই তাঁর প্রত্যাশা।
চব্বিশের গণআন্দোলন স্মরণে রেখে তিনি তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ২৪ দফায় ঘোষণা করেন। এর মধ্যে রয়েছে:
একাডেমিক খাতে, সেশনজট নিরসন, পরীক্ষার রুটিন শিক্ষার্থীবান্ধব করা, লাইব্রেরি আধুনিকীকরণ ও ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা, অনলাইন রিসার্চ রিসোর্স বৃদ্ধি। অধিকার ও কল্যাণে হলের আসন সংকট নিরসন, নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠন ও নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা সেল, উন্নত চিকিৎসা সেবা, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত খাবারের ব্যবস্থা।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, গণতান্ত্রিক চর্চা ও অ্যাকাডেমিক পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।