আইসিজেতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি আজ শুরু, তিন সপ্তাহ চলবে - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব কুবিতে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন ‘পাটাতন’-এর প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা খালেদা জিয়ার মৃত্যু কি ‘স্লো পয়জনিং’? বিস্ফোরক অভিযোগ জানালেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের প্রধান অধ্যাপক মালদ্বীপে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সুরক্ষা ও অধিকার নিয়ে হাইকমিশন–ইমিগ্রেশনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় ১০ বছরে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব: ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন, ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ সমাজের গুণী ব্যক্তি, দেশের সম্পদ: বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী

আইসিজেতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি আজ শুরু, তিন সপ্তাহ চলবে

আন্তর্জাাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

রাখাইনের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা আন্তর্জাতিক আদালতের মামলা আজ (সোমবার, ১২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শুরু হয়েছে এবং এটি তিন সপ্তাহ ধরে অনুষ্ঠিত হবে।

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আইসিজেতে আজ থেকে শুরু হওয়া এই শুনানি গত এক দশকেও অধিককালের মধ্যে প্রথম পূর্ণাঙ্গ গণহত্যা মামলার শোনা হবে। রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় এই শুনানি শুধু মিয়ানমারের জন্য নয়, ভবিষ্যতে অন্যান্য গণহত্যা বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের মামলার জন্যও একটি আইনগত মাপকাঠি তৈরি করবে।

গাম্বিয়া ২০১৯ সালে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিজেতে এটি করেন, দাবী করে যে ২০১৭ সালে রাখাইনের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর সশস্ত্র বাহিনী দ্বারা পরিচালিত অভিযানটি আন্তর্জাতিক আইনে গণহত্যা হিসেবে চিহ্নিত হওয়া উচিত। এই অভিযানে অন্তত ৭ লাখ ৩০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশসহ আশেপাশের দেশগুলোতে পালিয়ে আসে।

জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন ২০১৭ সালের অভিযানের ফলাফল বিশ্লেষণে এটি গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করে, কিন্তু মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে যে তাদের সামরিক অভিযান ছিল “সন্ত্রাসবিরোধী” প্রতিক্রিয়া।

২০১৯ সালের প্রাথমিক শুনানিতে মিয়ানমারের তৎকালীন নেত্রী অং সান সু চি গাম্বিয়ার অভিযোগগুলি অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর বলে খন্ডন করেছিলেন।

এইবারের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা ভুক্তভোগীদের সরাসরি সাক্ষ্য গ্রহন করা হবে; কিন্তু নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার কারণে অধিবেশনের বেশিরভাগ অংশ সাধারণ ও গণমাধ্যমের জন্য খোলা থাকবে না।

আইনি বিশ্লেষকরা বলছেন, এই শুনানি গণহত্যা সংজ্ঞা, প্রমাণ ও প্রতিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আইনের ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পূর্বঘটনা স্থাপন করতে পারে এবং এর প্রভাব গাজা সংক্রান্ত দক্ষিণ আফ্রিকা-ইসরায়েল মামলাসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিরোধে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT