নবীজিকে কটূক্তির অভিযোগে বাবা-ছেলে আটক, উত্তপ্ত লালমনিরহাট - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ইরান যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার কমেছে, ভবিষ্যৎ সংঘাতে ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার: দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি নানিয়ারচর সেনাবাহিনীর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী উপহার হাউজ অব লর্ডসে মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা প্রদান, ইতিহাস সংরক্ষণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষায় জোর দাবি গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ; পাসের হার ৩০ শতাংশ কুবিতে ৭০টি আসন ফাঁকা, গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত ময়মনসিংহ মেডিকেলের ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২ খুলনায় ‘নিজের অস্ত্রের গুলিতে’ নিহত পুলিশ সদস্য কুড়িগ্রামে র‍্যাব-১৩ এর অভিযান; প্রায় ২ মণ গাঁজাসহ গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ী

নবীজিকে কটূক্তির অভিযোগে বাবা-ছেলে আটক, উত্তপ্ত লালমনিরহাট

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫
  • ৩৭০ বার দেখা হয়েছে

২২ জুন ২০২৫, রবিবার

লালমনিরহাট শহরের গোসালা বাজার এলাকায় হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে কটূক্তির অভিযোগে এক সেলুন ব্যবসায়ী ও তার ছেলেকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার পর থানার সামনে বিক্ষুব্ধ মুসল্লিদের ঢল নামে।

পৌরসভার গোসালা বাজারের হানিফ পাগলা মোড়ে রবিবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তিরা হলেন লালমনিরহাট পৌরসভার নবীনটারী এলাকার বাসিন্দা পরেশ চন্দ্র বর্মন (৭৫) ও তার ছেলে বিষ্ণু চন্দ্র বর্মন (৩৫)। তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্য এবং স্থানীয়ভাবে সেলুন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাবা-ছেলে সেলুনে চুল কাটাতে আসা গ্রাহকদের সঙ্গে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করে আসছিলেন। সম্প্রতি এক গ্রাহকের সঙ্গে কথোপকথনের সময় হযরত মুহাম্মদ (সা.), আয়েশা (রা.) এবং কাবা শরীফ সম্পর্কে অবমাননাকর ও অশালীন মন্তব্য করেন তারা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পাশের মসজিদে জানানো হলে মুসল্লিরা ক্ষুব্ধ হয়ে সেলুনে গিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে গণপিটুনি দেয়।

খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এর পর শত শত মানুষ থানার সামনে জড়ো হয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে পুলিশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চায়। পরে লালমনিরহাট সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর আমিরের নেতৃত্বে তিনটি গাড়িতে সেনা সদস্যরা থানায় পৌঁছে জনতাকে শান্ত করেন এবং আশ্বস্ত করেন যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরনবী জানান, “ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ধর্ম অবমাননা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT