কুমিল্লার বরুড়ায় পানি কচু ও লতির রপ্তানি জোয়ার - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব কুবিতে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন ‘পাটাতন’-এর প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা খালেদা জিয়ার মৃত্যু কি ‘স্লো পয়জনিং’? বিস্ফোরক অভিযোগ জানালেন ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের প্রধান অধ্যাপক মালদ্বীপে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সুরক্ষা ও অধিকার নিয়ে হাইকমিশন–ইমিগ্রেশনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় ১০ বছরে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব: ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন, ব‍্যারিস্টার নাজির আহমদ সমাজের গুণী ব্যক্তি, দেশের সম্পদ: বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী

কুমিল্লার বরুড়ায় পানি কচু ও লতির রপ্তানি জোয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২১৪ বার দেখা হয়েছে

প্রতিদিন বিদেশে যাচ্ছে ৮০ টনের বেশি, মাসে আয় হচ্ছে ৩ লাখ ডলার পর্যন্ত

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় পানি কচু ও লতি উৎপাদন বিদেশি বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় কৃষকদের চাষ করা এসব সবজি প্রতিদিন ৮০ টনের বেশি রপ্তানি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এতে মাসিক গড়ে ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ মার্কিন ডলার আয় হচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে।

বরুড়ার আগানগর, ভবানীপুর, খোশবাস, শিলমুড়ি ও আশপাশের ইউনিয়নগুলোতে প্রায় ১০০ হেক্টর জমিতে পানি কচু ও লতির চাষ হচ্ছে। জমিতে উৎপাদন খরচ তুলনামূলক কম, আবার চাহিদা বেশি থাকায় কৃষকরা সরাসরি মাঠে পাইকারদের কাছে বিক্রি করছেন। ফলে বাজারে গিয়ে ঝুঁকি নিতে হচ্ছে না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কীটনাশক ব্যবহার ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির ফলে লতির মান ও উৎপাদন বেড়েছে। এতে বিদেশি ক্রেতাদের আস্থা অর্জন সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কৃষি বিভাগ মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সহায়তা দিচ্ছে এবং রপ্তানি বাড়াতে নিয়মিত তদারকি করছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগীরা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। তারা সরাসরি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হতে পারলে ন্যায্যমূল্য আরও বাড়বে। তবুও বর্তমান রপ্তানি ব্যবস্থায় আগের তুলনায় অনেক বেশি লাভ পাচ্ছেন।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারিভাবে আরও সহায়তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটানো গেলে বরুড়ার পানি কচু ও লতির রপ্তানি বহুগুণে বাড়বে। এতে স্থানীয় অর্থনীতি চাঙা হওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা আয়েও বড় ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT