নড়াইলে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব

নড়াইলে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই

নড়াইল প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬৫ বার দেখা হয়েছে

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে উপজেলার রঘুনাথপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে নবীন যুব সংঘের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

ষাঁড়ের লড়াই অনুষ্ঠান ঘিরে সকাল থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। দুপুর গড়াতেই রঘুনাথপুর বিদ্যালয়ের মাঠের চারপাশে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। কেউ স্কুলের বারান্দায়, কেউ বাড়ির ছাদে, আবার কেউ গাছে উঠে উপভোগ করেন এ লড়াই। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্করাও লড়াই দেখতে ভিড় জমান।

প্রতিযোগিতায় আড়পাড়া, যাদবপুর, শোলপুর, মির্জাপর, পেড়লীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ৩০টি ষাঁড় অংশ নেয়।

মির্জাপুর থেকে আসা সুবুদ্ধি বিশ্বাস বলেন, ‘আমিসহ আমাদের গ্রাম থেকে নসিমন যোগে ১৫ জন এক সঙ্গে ষাঁড়ের লড়াই দেখেছি। ষাঁড়ের লড়াই দেখার আনন্দেই আলাদা। যদি বৃষ্টি না হতো তাহলে এখানে আসা মানুষ আরও সুন্দরভাবে এ প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে পারত।’

আয়োজকদের মতে, গ্রামবাংলার মানুষের বিনোদনের পাশাপাশি সামাজিক ঐক্যের প্রতীক এই ষাঁড়ের লড়াই। আমাদের সকলের পুরোনো এই ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা উচিত, যাতে করে আগামী প্রজন্ম কাছে এটি জীবন্ত থাকে। ষাঁড়ের লড়াই শুধু একটি সাধারণ খেলা নয়, এটি বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে গ্রামীণ সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব, যা আগামী প্রজন্মের কাছে আমাদের ঐতিহ্যকে জীবন্ত রাখবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT