ভারত থেকে পাহাড়ি ঢল, প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে তিস্তা তীরের ৫ জেলা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
How Bonuses and Promotions Foster Loyalty বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হলো আইটিইটি-বুটেক্স ক্যারিয়ার ফেয়ার ২০২৬ আর্থ ডে’তে বুটেক্সে ‘প্লাস্টিক এক্সচেঞ্জ’: প্লাস্টিকের বদলে মিলছে বীজযুক্ত কলম নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ‘নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত ধর্ম নয়, নিরাপত্তাই অগ্রাধিকার—বৌদ্ধ পূর্ণিমায় প্রধানমন্ত্রীর বড় বার্তা ইবির লালন শাহ হলে আবেগঘন বিদায়, শিক্ষার্থীদের চোখে জল! কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ইরান যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার কমেছে, ভবিষ্যৎ সংঘাতে ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার: দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত

ভারত থেকে পাহাড়ি ঢল, প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে তিস্তা তীরের ৫ জেলা

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৫৫ বার দেখা হয়েছে

টানা তিনদিনের ভারী বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাটের সদর, পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলার নীচু এলাকা পানিতে ডুবে গেছে। পরিস্থিতি অবনতির কারণে রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চলও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পানি বৃদ্ধির ফলে চরাঞ্চলের রাস্তা-ঘাট ও আমন ধানের ক্ষেত তলিয়ে গেছে, বহু মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। গবাদি পশু ও মালপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে। বুধবার সকাল ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে ৭ সেন্টিমিটার ওপরে ওঠে। পানির চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে হঠাৎ করে পানি বেড়ে যাওয়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেক এলাকায় রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে এবং শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের নিয়ে পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ ও সড়কে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT