বাংলাদেশ দলের দাপুটে পারফরম্যান্সে নেদারল্যান্ডসের ১৩৬ রানের সংগ্রহ সহজে ছুঁয়ে ফেলে স্বাগতিকরা। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটে জিতে সিরিজে ১–০ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৬ রান করে ডাচরা। জবাবে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ ঝড়ো শুরু করে। অধিনায়ক লিটন দাস ২৬ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেন, ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় লক্ষ্য স্পর্শ করেন। ২৯ বল মোকাবিলায় লিটনের সঙ্গে সাইফ হাসানের অবিচ্ছিন্ন জুটি ২৬ বলে ৪৬ রানের। ৩৯ বল খেলে ৩৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন সাইফ। বাংলাদেশ ৩৯ বল হাতে রেখে ২ উইকেটে লক্ষ্য পূর্ণ করে।
৭৭ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে তৃতীয়বার ৪ উইকেট শিকার করা ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদ ৪ ওভারে ২৮ রান খরচায় নেদারল্যান্ডসের ৪ উইকেট নেন। দুই বছর পর এই ফরম্যাটে খেলতে নেমে সাইফ হাসানও বোলিংয়ে নজর কাড়েন, ২ ওভারে ১৮ রানে দুই উইকেট নেন।
সাপোর্টে ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান এবং শেখ মেহেদী। মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ১৯ রানে ১ উইকেট নেন, আর মেহেদী ৪ ওভারে ২১ রান দেন।
বাংলাদেশের রান তাড়া শুরুতেই চমক দেখায়। ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন শুরু তিন বলে দুটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান, তবে স্পিনার আরিয়ান দত্তের হাতে ২৪ রানে আউট হন। এরপর লিটন দাস মাঠে ঝড় তুলেন। পাওয়ার প্লেতে প্রথম উইকেটে ৫৭ রান যোগ করেন এবং দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গে ৬৬ রানের জুটি গড়েন।
লিটনের এই ফিফটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ভাগ করা সর্বোচ্চ ফিফটির রেকর্ডে পরিণত হলো; দুজনেরই হাফসেঞ্চুরির সংখ্যা এখন ১৩।
ম্যাচ পরিসংখ্যান:
বাংলাদেশের ২০ ওভারে জয়: ৮ উইকেট
লিটন দাস: ২৬ বলে ৫৪*, ৬ চার, ২ ছক্কা
সাইফ হাসান: ১৯ বলে ৩৬* (১ চার, ৩ ছক্কা)
তাসকিন আহমেদ: ৪–২৮–৪
মোস্তাফিজুর রহমান: ৪–১৯–১
শেখ মেহেদী: ৪–২১–০
নেদারল্যান্ডসের ব্যাটিং লাইনআপ সীমিত স্কোরে আটকে গেলে বাংলাদেশ সহজে জয় নিশ্চিত করে। অধিনায়ক লিটন দাসের ব্যাটিং ও তাসকিন আহমেদের বোলিং কম্বিনেশন ম্যাচের চিত্র অক্ষুণ্ণ রাখে। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের সুযোগ আরও এগিয়ে যাওয়ার।