নোটিশ:
শিরোনামঃ
অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষক সমিতির শোক র‍্যালি ও মানববন্ধন কুবিতে অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা সামলাতে এখনই সুরক্ষা পরিকল্পনা দরকার পোশাক কারখানা শীতল রাখার বিনিয়োগ চার বছরের মধ্যে উঠে আসতে পারে: গবেষণা জ্বালানির দাম সর্বোচ্চ ১৭.৪% বাড়ল, ডিজেল লিটারে ১৩৫ টাকা জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী হেলথ এশিয়া কনফারেন্সে আন্তর্জাতিক বক্তা তানহা তাবাসসুম ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মৌসুমি অভিযান নয়, বছরজুড়ে প্রস্তুতি চাই এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত বৈশ্বিক উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পানির মানুষ

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা সামলাতে এখনই সুরক্ষা পরিকল্পনা দরকার

সম্পাদকীয়
  • আপডেট সময় সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে
বাংলাদেশের একটি জ্বালানি স্টেশনের ফাইল ছবি

জ্বালানি তেলের নতুন মূল্যবৃদ্ধি এমন সময়ে এসেছে, যখন পরিবার ও ব্যবসা—দুই পক্ষই জীবনযাত্রা ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপ সামলাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে, আর রাষ্ট্রীয় বিপণন ব্যবস্থার লোকসানও বড় হয়েছে। ফলে মূল্য সমন্বয়ের পেছনে আর্থিক যুক্তি আছে। কিন্তু এখানেই নীতির কাজ শেষ হতে পারে না।

ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে ১৩৫ টাকায় ওঠার প্রভাব শুধু পাম্পে সীমাবদ্ধ থাকবে না। কৃষি সেচ, পণ্য পরিবহন, গণপরিবহন, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং শিল্প উৎপাদনের ব্যয়েও এর প্রতিফলন ঘটতে পারে। এই দ্বিতীয় দফার প্রভাবই সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাজার তদারকি জোরদার করে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিকে অজুহাত বানিয়ে অযৌক্তিক ভাড়া বা পণ্যমূল্য বাড়ানো ঠেকাতে হবে।

একই সঙ্গে সরকারের উচিত জ্বালানি মূল্য নির্ধারণের সূত্র, আমদানি ব্যয়, ভর্তুকি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের লোকসানের হিসাব নিয়মিত ও সহজ ভাষায় প্রকাশ করা। স্বচ্ছতা থাকলে নাগরিকেরা বুঝতে পারবেন কোন অংশটি আন্তর্জাতিক বাজারের চাপ, কোন অংশটি অভ্যন্তরীণ ব্যয় এবং কোথায় দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ আছে।

দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে জরুরি হলো আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার ঝুঁকি কমানো। গণপরিবহন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থার দক্ষতা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং শিল্পে জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে নিম্নআয়ের মানুষের ওপর মূল্যবৃদ্ধির অসামঞ্জস্যপূর্ণ চাপ কমাতে লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তার পথ বিবেচনা করা উচিত।

বিশ্ববাজারের অস্থিরতা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে নেই। কিন্তু সেই অস্থিরতার বোঝা কীভাবে অর্থনীতির ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষ কতটা সুরক্ষা পায়—সেটি নীতিনির্ধারণের বিষয়। বর্তমান মূল্যবৃদ্ধির পর তাই সরকারের প্রধান কাজ হওয়া উচিত মূল্যস্ফীতির দ্বিতীয় দফার অভিঘাত সীমিত রাখা এবং ভবিষ্যৎ জ্বালানি ধাক্কার বিরুদ্ধে অর্থনীতিকে আরও সহনশীল করা।

তথ্যভিত্তি: জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও রয়টার্সের ২১ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন। ছবি: ফাইল।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT