ইবির লালন শাহ হলে আবেগঘন বিদায়, শিক্ষার্থীদের চোখে জল! - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ধর্ম নয়, নিরাপত্তাই অগ্রাধিকার—বৌদ্ধ পূর্ণিমায় প্রধানমন্ত্রীর বড় বার্তা ইবির লালন শাহ হলে আবেগঘন বিদায়, শিক্ষার্থীদের চোখে জল! কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ইরান যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার কমেছে, ভবিষ্যৎ সংঘাতে ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্র ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার: দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত কুবির বিজয়-২৪ হলকে মাদকমুক্ত করতে উপাচার্য ও প্রক্টর বরাবর স্মারকলিপি নানিয়ারচর সেনাবাহিনীর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী উপহার হাউজ অব লর্ডসে মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা প্রদান, ইতিহাস সংরক্ষণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষায় জোর দাবি গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ; পাসের হার ৩০ শতাংশ কুবিতে ৭০টি আসন ফাঁকা, গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত

ইবির লালন শাহ হলে আবেগঘন বিদায়, শিক্ষার্থীদের চোখে জল!

মিজানুর রহমান, ইবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে
লালন শাহ হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লালন শাহ হলের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতে হলের টিভি কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী মো. আরিফুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের দীর্ঘ সময়ের স্মৃতিচারণ করেন। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের একজন শিক্ষার্থী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “লালন শাহ হল আমাদের কাছে কেবল একটি আবাসন নয়, এটি একটি পরিবারের মতো ছিল। এখান থেকে অর্জিত শিক্ষা ও মূল্যবোধ আমাদের আগামীর পাথেয় হয়ে থাকবে।”

প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী মো. আরিফুজ্জামান খান বলেন, “তোমাদের বিদায়ের শূন্যতা লালন শাহ হল অনুভব করবে। হলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তোমরাই ছিলে অগ্রণী। তোমাদের পরবর্তী জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “শিক্ষাজীবনে দুই জায়গায় আনন্দ পাওয়া যায়—একটি ক্লাসরুম, অন্যটি আবাসিক হল। হলজীবনে নিজেদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরির সুযোগ পাওয়া যায়। যেহেতু এই হলটি ২০ বছর পুরোনো, সুতরাং এখানে অ্যালামনাই গঠন করা যেতে পারে। সবাই শিক্ষিত পরিচয় দেবে, তবে আমার ছাত্ররা সুশিক্ষিত হবে—এটাই আমার প্রত্যাশা।”

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “সার্টিফিকেট অর্জনের মাধ্যমে জীবনের একটি সাফল্যের সিঁড়ি অতিক্রম করেছো। পরবর্তীতে পৃথিবীকে আরও সুন্দর করার দায়িত্ব তোমাদের নিতে হবে। ছোটবেলা থেকে মা-বাবা তোমাদের লালন-পালন করেছেন—পেশাগত জীবনে গিয়ে তাদের ভুলে যেও না। কুরআনের বাণী অনুযায়ী তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করো না, যাতে তারা ‘উফ’ বলে।”

সবশেষে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে হলের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT