ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে আবুল সরকার ও ফরহাদ মজহারকে “মুরতাদ” ঘোষণা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব কুবিতে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন ‘পাটাতন’-এর প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে আবুল সরকার ও ফরহাদ মজহারকে “মুরতাদ” ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭২ বার দেখা হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) হেফাজতে ইসলাম  নেতারা বাউল শিল্পী আবুল সরকার ও কবি-দার্শনিক ফরহাদ মজহারকে “মুরতাদ” হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সমাবেশে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ধর্মীয় অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং দেশের মাজারে অশ্লীল গান-বাজনা ও মাদক নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।

সকাল সাড়ে ১১টায় জামিয়া ইউনুসিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে জেলা শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব চত্বরে এসে শেষ হয়। মিছিলে শতাধিক মাদরাসার ছাত্র-উস্তাদ ও ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন। মাওলানা বেলাল হুসাইন বলেন, “আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করে ৯২ শতাংশ মুসলিমের দেশে থাকা কোনো ব্যক্তি মুসলিম হতে পারে না। তাই এমন ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা অপরিহার্য।”

সমাবেশে হেফাজত -এর অন্যান্য নেতারা অভিযোগ করেন, নতুন রাজনৈতিক দলের কিছু ব্যক্তি ছাদের নিচে আলেমদের নিয়ে উচ্চবাচ্য করছেন। তারা হুঁশিয়ারি দেন, জন্ম থেকেই বাপের সঙ্গে পাঞ্জা লড়লে বাংলার জমিন থেকে অস্তিত্বহীন হয়ে যাবে।

মাওলানা বেলাল হুসাইন তিন দফা দাবি পেশ করেন। এগুলো হলো –
১. বাউল আবুল সরকারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা,
২. সংবিধানে ধর্মীয় অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড সংযোজন,
৩. দেশের সকল মাজারে অশ্লীল গান-বাজনা ও মাদক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি অবিলম্বে আবুল সরকারের বিচার শুরু না হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন সারাদেশে কঠোর কর্মসূচিতে রূপ নেবে। সমাবেশে Hefazat-এর শীর্ষ নেতারা যেমন মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ মাদানী, মাওলানা মাইনুদ্দিন, মাওলানা মীর খায়রুজ্জামান, মাওলানা জাকারিয়া সাইফ, মাওলানা রিয়াজুল করিম রিফাত, মাওলানা ইয়াসিন আরাফাত ও মাওলানা ফরহাদ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT