নোটিশ:
শিরোনামঃ
পারমাণবিক স্থাপনার নিরাপত্তায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও আন্তর্জাতিক নজরদারি জরুরি বাইরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক কেন্দ্র আবার জেনারেটরনির্ভর জনসমাগমের আয়োজনে নিরাপত্তা: আনুষ্ঠানিকতার সঙ্গে চাই কার্যকর প্রস্তুতি কুড়িগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নে চাই গবেষণা ও দক্ষতার সেতুবন্ধ এআই ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে প্রবাসী দক্ষতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’: প্রবাসীদের সাংস্কৃতিক মিলনমেলা প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি: পরিবারগুলোর প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য কাতারের উত্তরে ট্যাংকারে দুটি অজ্ঞাত বস্তুর আঘাত: ইউকেএমটিও আশুলিয়ায় বেতন আন্দোলনে শতাধিক পোশাক কারখানার কার্যক্রম স্থগিত

চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হোয়াইটওয়াশ, সমর্থকের ‘ভুয়া’ স্লোগান নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য ড্যারেন স্যামির

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩৪৩ বার দেখা হয়েছে
Daren Julius Garvey Sammy

শেষ টি–টোয়েন্টিতে হারের পর গ্যালারিতে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান, ড্যারেন স্যামি খেলোয়াড়দের সমর্থনের আহ্বান

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) শেষ টি–টোয়েন্টি হারের পর বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তরা হতাশা ও ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তিন ম্যাচের সিরিজের শেষ ম্যাচেও জয় অর্জন করতে ব্যর্থ হওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশের শিকার হয়।

ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে বারবার শোনা যায় ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান। কিছু ভক্ত নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের নাম ধরেও দুয়োধ্বনি করেন। ম্যাচ শেষে দেখা যায় অনেক সমর্থক ক্ষোভ ও হতাশায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে গেছেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ ও সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি এই শব্দের অর্থ জানতে আগ্রহ দেখান। পরে তিনি জানান, বাংলাদেশের সমর্থকদের এমন আচরণ তার ভালো লাগেনি। তিনি বলেন, “নিজেদের খেলোয়াড়দের যেভাবে তারা ট্রিট করল, সেটা আমার ভালো লাগেনি। শুনলাম তারা ‘ভুয়া, ভুয়া’ বলছে। খেলোয়াড়রা মাঠে প্রতিটি বলেই সেরাটা দেয়। তাদের হেয় না করে বরং সমর্থন দিন—এটাই একজন প্রকৃত ভক্তের কাজ।”

স্যামি আরও বলেন, “আমি জানি, সবাই চায় বাংলাদেশ দল ভালো করুক। তাই বেশি সমর্থন ও প্রেরণা দিলে দল আরও এগিয়ে যাবে। খেলোয়াড়রা সর্বদা চেষ্টা করে, তবে তাদের উপর অতিরিক্ত চাপ ও সমালোচনা কখনোই সাহায্য করে না।”

শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশকে ১৫১ রানের লক্ষ্য দেয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ হয়ে মাত্র ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান করে। জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১৯ বল বাকি থাকা অবস্থায়। আগের দুই ম্যাচেও বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে সেরাটা দেখাতে ব্যর্থ হয়। তিন ম্যাচের পুরো সিরিজেই বাংলাদেশের ব্যাটিং পারফরম্যান্স প্রশ্নবিদ্ধ ছিল।

বাংলাদেশের ক্রিকেট কাঠামো, খেলোয়াড়দের মানসিক প্রস্তুতি এবং সমর্থকদের আচরণ নিয়েও সমালোচনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মাঠে ভালো খেললে প্রশংসা, ব্যর্থ হলে গালাগাল—এই চক্র যেন ক্রিকেট জাতি হিসেবে অস্থিরতার প্রতিফলন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দলের মানসিক ও কৌশলগত শক্তি বাড়ানো প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে এমন সিরিজে দেশের ক্রিকেট ভক্তরা হতাশ না হন।

সিরিজ হোয়াইটওয়াশের পরও, অনেক সমর্থক দলের প্রতি ভালবাসা হারাননি। তারা আশা করছেন বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিযোগিতা করবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT