ফিলিপাইনে আরসিবিসি ব্যাংকে বাজেয়াপ্ত ৮১ মিলিয়ন ডলার, দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে নেই ভোগান্তি নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের জমকালো আয়োজনে বুটেক্সে শুরু হলো অ্যালামনাই সুপার কাপ রাজবাড়ীর কালুখালীতে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আইসিএমএবি ও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত রাজবাড়ী সদরে শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষকের সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক মাসুদুজ্জামান বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ঝলসে গেলেন মনিরা ড. রশিদুন্ নবীর হাতে উঠছে বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন জাককানইবির নতুন উপাচার্য Casino Winbeast – ce qu’il faut savoir

ফিলিপাইনে আরসিবিসি ব্যাংকে বাজেয়াপ্ত ৮১ মিলিয়ন ডলার, দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৩৭ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) ব্যাংকে থাকা ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান জানান, আদালতের আদেশে ফিলিপাইনের মাকাতি সিটিতে অবস্থিত আরসিবিসি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে এই অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং বাজেয়াপ্ত অর্থ দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সিআইডি কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে দীর্ঘ আইনি লড়াই, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং উভয় দেশের আদালতের নির্দেশনার মাধ্যমে এই মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বাজেয়াপ্ত অর্থ আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে যোগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে সুইফট কোড ব্যবহার করে প্রায় ৯৫১ মিলিয়ন ডলার সরানোর চেষ্টা করা হয়। এর মধ্যে অধিকাংশ লেনদেন আটকে দেওয়া হলেও ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। এছাড়া ২০ মিলিয়ন ডলার শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হলেও তা ফেরত আনা সম্ভব হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক হ্যাকার চক্র দেশীয় সহযোগীদের সহায়তায় এ অর্থ পাচার করেছিল।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। মামলাটি দায়ের করা হয় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধনী ২০১৫), তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায়। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ফিলিপাইন সরকারের সহযোগিতা এবং আদালতের আদেশের ভিত্তিতে বাজেয়াপ্ত অর্থ দেশে ফেরত আনার আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। তবে পুরো অর্থ ফেরত পেতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এ অর্থ চুরির ঘটনায় আট বছর পর এসে বাজেয়াপ্ত অর্থ উদ্ধারে বড় ধরনের অগ্রগতি হলো। সিআইডি বলছে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও আইনি পদক্ষেপের ফলে এ অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হবে। বাজেয়াপ্ত অর্থ দেশে ফেরত এলে তা সরাসরি বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে যোগ হবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT